রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেট থেকে সকাল ৭টায় শুরু হওয়া ১১ দলীয় জোটের লংমার্চটি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়ায় পৌঁছেছে। দীর্ঘ এই যাত্রার পথে শরীয়তপুরের নাওডোবায় সকাল ১০টায় প্রথম পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। ভাটিয়াপাড়ায় পৌঁছালে স্থানীয় হাজার হাজার নারী-পুরুষ বহরটিকে স্বাগত জানান। জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জোটের সাত দফা দাবি আদায়ে কঠোর আন্দোলনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
জনতার বিপুল উচ্ছ্বাসে সাড়া দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ১১ দলের এই লড়াই অব্যাহত থাকবে। লংমার্চের বহরটি গোপালগঞ্জ থেকে খুলনার অভিমুখে রওনা হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, খুলনা মহানগরের বাবরী চত্বর ও ফুলতলার বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে পথসভায় অংশ নেবেন জোট নেতারা। এরপর যশোরের মুড়লীর মোড় ও ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে পথসভা শেষে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
যাত্রাপথের প্রতিটি স্থানে ১১ দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা বহরটিকে অভিবাদন জানাচ্ছেন। ডা. শফিকুর রহমানসহ জোটের শীর্ষ নেতারা এসব গণজমায়েতে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন স্থানে অনানুষ্ঠানিক বক্তব্যও রাখছেন। এই লংমার্চের লক্ষ্য হলো সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে সাত দফা দাবি মেনে নিতে বাধ্য করা। জনতার উচ্ছ্বাসকে সম্মান জানিয়ে তিনি ১১ দলের সাত দফা দাবি আদায়ে অনড় ভূমিকা পালনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। এছাড়াও লংমার্চ রুটের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত গণজমায়েতে অনানুষ্ঠানিক বক্তব্য রাখবেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ অন্য নেতারা। রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে ১১ দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দেওয়া অভিবাদন গ্রহণ করবে লংমার্চের বহর।
উল্লেখ্য, ১১ দলীয় ঐক্য এর আগেও বেশ কয়েকটি কর্মসূচি পালন করেছে। এর অংশ হিসেবে গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম এবং ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চ পরিচালনা করেছিল এই জোট। দাবি আদায়ে রাজপথের এই সক্রিয়তা চলমান থাকবে বলে জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
Leave a Reply