রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন

নিয়োগে অনলাইন সার্টিফিকেটের গুরুত্ব তুলে ধরলেন গ্রামীণফোনের কর্মকর্তা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৮ সময় দেখুন

বর্তমান কর্মক্ষেত্রে একাডেমিক ডিগ্রির পাশাপাশি কারিগরি দক্ষতা যাচাইয়ের বিষয়টি প্রাধান্য পাচ্ছে। নিয়োগদাতারা এখন কেবল প্রথাগত শিক্ষার খোঁজ করেন না, বরং প্রার্থী নতুন কিছু শেখার আগ্রহ রাখেন কি না, তাও গুরুত্বের সাথে দেখেন। গ্রামীণফোনের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) সৈয়দা তাহিয়া হোসেনের মতে, প্রথাগত একাডেমিক সিলেবাসের বাইরে গিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং, ডেটা অ্যানালিটিকস বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো বিষয়ে বাড়তি জ্ঞান থাকা জরুরি।

গুগল বা কোর্সেরার মতো প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে প্রাপ্ত অনলাইন সার্টিফিকেটগুলো শিক্ষার্থীর প্র্যাকটিক্যাল দক্ষতা প্রমাণের বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। তবে নিয়োগ বোর্ডে কেবল সনদের উপস্থিতিতেই মূল্যায়ন সীমাবদ্ধ থাকে না। প্রার্থীর অর্জিত ওই প্রযুক্তিগত জ্ঞান কর্মক্ষেত্রে কতটা কার্যকর, তা যাচাই করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, ভিডিও এডিটিংয়ের সার্টিফিকেট থাকলেও তার স্বপক্ষে নিজস্ব পোর্টফোলিও উপস্থাপন করাটা প্রার্থীর যোগ্যতার বড় প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

অনলাইন সার্টিফিকেট অর্জনের উদ্যোগ প্রার্থীর কৌতূহল এবং কর্মস্পৃহার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। এইচআর বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পরেও নিজের দক্ষতা বাড়ানোর এই স্বতঃস্ফূর্ত চেষ্টা প্রার্থীর পেশাদারিত্বের পরিচয় বহন করে। এটি শুধু দেশের ভেতরেই নয়, বরং বিশ্বব্যাপী রিমোট বা ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়ে তুলতেও সহায়তা করে, যার মাধ্যমে ঘরে বসেই আন্তর্জাতিক বাজারে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়।

বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের প্রবণতা বাড়লেও কেবল এআই-নির্ভর তথ্যের ওপর নির্ভর না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ইন্টারভিউ বোর্ডে অভিজ্ঞ নিয়োগকর্তারা প্রার্থীর মৌলিক চিন্তাশক্তি ও বিষয়বস্তুর ওপর গভীর দখল আছে কি না, তা যাচাই করে নেন। তাই সার্টিফিকেট পাওয়ার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মূল মেকানিজম বা ভেতরের কারিগরি বিষয়গুলো সঠিকভাবে আয়ত্ত করা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর