রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জোবায়েদ মৃত্যুর ঘটনা মামলায় বিচার শুরু

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২৫ সময় দেখুন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসেনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। ঢাকার ১৫তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম রোববার দুপুরে এই আদেশ প্রদান করেন। অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচারিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে এবং আগামী ৯ ডিসেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলায় অভিযুক্ত তিন আসামি হলেন জোবায়েদের ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা (১৯), মাহির রহমান (১৯) এবং মাহিরের সহযোগী ফারদীন আহম্মেদ আয়লান (২১)।

বর্তমানে এই তিনজনই গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে বন্দী আছেন। রোববার শুনানি চলাকালে তাঁদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশতিয়াক হোসেন জানান, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাঁদের মক্কেলদের নির্দোষ দাবি করে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করেছিলেন। আদালত সেই আবেদন নামঞ্জুর করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।

নিহত জোবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করাতেন। গত বছর ১৯ অক্টোবর বিকেলে তিনি বংশাল এলাকার আরমানিটোলার বাসায় ছাত্রী বর্ষাকে পড়াতে যান। ঐদিন সন্ধ্যায় বর্ষা জোবায়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছোট ভাইকে ফোন করে জানান যে, তাঁর গৃহশিক্ষক খুন হয়েছেন। খবর পেয়ে জোবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে সিঁড়িতে জোবায়েদের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। পুরান ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার। ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হত্যাকাণ্ডে বর্ষাসহ তিনজনের স্বীকারোক্তি।

এ ঘটনায় এনায়েত হোসেন বাদী হয়ে বংশাল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে গত ৩০ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে যে, প্রেমের সম্পর্কের জটিলতা ও অন্তরঙ্গ ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে জোবায়েদকে হত্যা করা হয়। অভিযোগপত্রে মাহিরকে মূল হামলাকারী, বর্ষাকে পরিকল্পনাকারী এবং আয়লানকে সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়, এক মাস ধরে পরিকল্পনা করে জোবায়েদকে হত্যা করা হয়েছিল। প্রধান সন্দেহভাজন মাহিরকে থানায় দিলেন তাঁর মা। ১৮ ঘণ্টা পরও মামলা হয়নি, প্রেমের কারণে খুন সন্দেহ পুলিশের।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর