সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন

শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে জয়, নওফেল, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীর সাথে থাকবেন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানও

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬ সময় দেখুন

ঢাকা, ০৩ আগষ্ট ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): প্রায় দুই বছর পর প্রথমবার প্রকাশ্য কোনো অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ৫ আগস্ট ভারতের নয়াদিল্লিতে সেই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার পাশাপাশি যোগ দেবেন তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানও।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে পা রাখার পর থেকে শেখ হাসিনা জনসম্মুখে অনুষ্ঠান ও গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার থেকে দূরে রয়েছেন। এবার নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া (এফসিসি সাউথ এশিয়া) আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নেবেন তিনি। সেখানে তিনি তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বাংলাদেশে ফেরার সম্ভাব্য রূপরেখা নিয়ে কথা বলবেন বলে জানা গেছে।

নয়াদিল্লির মথুরা রোডের স্যার মার্ক টালি অডিটোরিয়ামের অনুষ্ঠানটি ক্লাবের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ছাড়াও থাকছেন বাংলাদেশের আরও কয়েকজন পরিচিত মুখ। অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে শেখ হাসিনার সঙ্গে কয়েকজন বাংলাদেশি রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তির অংশ নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তাদের মধ্যে রয়েছেন শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মহাসচিব মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানের প্যানেলে রয়েছেন ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, সাবেক কূটনীতিক আমিনুল হক পলাশ, রাজনৈতিক ও সন্ত্রাসবাদবিষয়ক বিশ্লেষক আবু ওবায়দা আরিন এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ইউএসএর পরিচালক শাহ মো. বখতিয়ার।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন এফসিসি সাউথ এশিয়া ও ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব প্রেস ক্লাবসের (আইএপিসি) সভাপতি ড. ওয়াইল আওয়াদ।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কোটা সংস্কারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলন পরবর্তী সময়ে দেশব্যাপী সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। একপর্যায়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। এর মধ্য দিয়ে তার প্রায় ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটে।

এর পর থেকে শেখ হাসিনা জনসম্মুখের অনুষ্ঠান ও আনুষ্ঠানিক গণমাধ্যম কার্যক্রম থেকে দূরে ছিলেন। ফলে এবারের বক্তব্য বাংলাদেশ ছাড়ার পর তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ্য উপস্থিতি হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর