বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৫ অপরাহ্ন

৩ লাখেরও বেশি মার্কিন ভিসা বাতিল করল ট্রাম্প প্রশাসন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১২ সময় দেখুন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তার প্রশাসন তিন লাখেরও বেশি মার্কিন ভিসা বাতিল করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভিসা বাতিলের এই হার বেশ দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, অভিবাসনবিরোধী এই ধরপাকড় ও বহিষ্কার অভিযানের মূল উদ্দেশ্য অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে সমালোচকরা বলছেন, এই ধরনের পদক্ষেপে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং জাতিগত সংখ্যালঘুরা প্রোফাইলিংয়ের ঝুঁকিতে পড়ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তার প্রশাসন ৩ লাখেরও বেশি মার্কিন ভিসা বাতিল করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর প্রকাশ করেছে। এটি একটি অনিরাপদ পরিবেশ তৈরি করেছে, বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য, যারা বর্ণগত দিক থেকে প্রোফাইলিংয়ের শিকার হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সর্বশেষ ভিসা বাতিলের পরিসংখ্যান প্রকাশকালে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানান, মার্কিন ইতিহাসে অন্য যেকোনো প্রশাসনের তুলনায় তাদের প্রশাসন সবচেয়ে দ্রুতগতিতে সর্বাধিক ভিসা বাতিল করেছে। তিনি আরও বলেন, যেসব বিদেশি আইন লঙ্ঘন করেন, জালিয়াতি করেন কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ান, তাদের প্রতি প্রশাসনের কোনো ধরনের সহানুভূতি নেই এবং এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি বহাল রয়েছে।

অধিকারকর্মীদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়া ভিসা বাতিলের এই তালিকায় রয়েছে গাজায় ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদকারী ফিলিস্তিনপন্থি বিদেশি বিক্ষোভকারী এবং রক্ষণশীল ধারাভাষ্যকার চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মতামত প্রকাশকারী বিদেশি নাগরিকরা। প্রতিবাদকারীদের দেশ থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসী ও ভিসা প্রার্থীদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের ওপর নজরদারি আরও কঠোর করেছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, জাতীয় নিরাপত্তার নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে এনে সরকার মূলত সরকারের সমালোচকদের টার্গেট করছে এবং বিচ্ছিন্ন কিছু অনিয়মের অজুহাতে সোমালি আমেরিকানসহ বিভিন্ন অভিবাসী সম্প্রদায়কে কোণঠাসা করছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় অবৈধ অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বর্তমান প্রশাসন আইনি অভিবাসন প্রক্রিয়াকেও বেশ জটিল করে তুলেছে, যার অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু কর্মসংস্থান ভিসার ফি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, নির্দিষ্ট কিছু কাজের ভিসার জন্য তারা বিপুল পরিমাণ ফি আরোপ করেছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর