‘কানেক্টিং স্টুডেন্টস টু হায়ার এডুকেশন’ মূলমন্ত্র নিয়ে ২০২২ সালে যাত্রা শুরু করলেও, ইউনিগ্লোবালের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত গড়ে উঠেছিল ২০০৮ সালের মে মাসে। এর কর্ণধার ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল আলম ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ দেশের একাধিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন। তার এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও স্বচ্ছ সেবাপ্রদান পদ্ধতি প্রতিষ্ঠানটিকে দ্রুত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থার কেন্দ্রে পরিণত করেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহকসন্তুষ্টির হার প্রায় ৯৯ শতাংশ। পরবর্তী সময় তিনি ড্যাফোডিল গ্রুপসহ বেশ কয়েকটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর প্রায় দেড় দশকের অভিজ্ঞতাই ইউনিগ্লোবালের সবচেয়ে বড় শক্তি।
ইউনিগ্লোবাল যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, জাপান, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিনল্যান্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিং ও স্কলারশিপের ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন সহায়তা প্রদান করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক সংস্থা আইসিইএফ (ICEF) এবং ইউরোপিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের (EAIE) সদস্য। এছাড়া বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা সেবা প্রদানকারী সরকারি অনুমোদিত সংগঠন ‘ফ্যাড-ক্যাব’-এর সদস্য হিসেবেও তারা দায়িত্ব পালন করছে। বয়সে নবীন হলেও বিদেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, স্কলারশিপ ও স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিংয়ে স্বচ্ছতা ও দক্ষতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক পরিসরে এটি আইসিইএফ ও ইউরোপিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের (ইএআইই) অ্যাক্রেডিটেশন ও মেম্বারশিপ অর্জন। শুরু থেকেই ইউনিগ্লোবাল যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, হাঙ্গেরি, গ্রিস, সাইপ্রাস, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, মালয়েশিয়া ও চীনের নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, স্কলারশিপ, স্টাডি লোন ও ভিসা আবেদনে।
সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে প্রতিষ্ঠানটি ‘নলেজ বেজড ইকোনমি ডেভেলপমেন্ট’ নামে একটি বিশেষ প্রকল্প পরিচালনা করছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য উন্নত বিশ্বে পাঠানো। এই শিক্ষার্থীরা বিদেশে শিক্ষা গ্রহণের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্যারিয়ার গড়ে রেমিট্যান্সের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবেন। বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অনেকগুলো ইউনিয়নে এই প্রকল্পের কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং সেখান থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী বিদেশে উচ্চশিক্ষায় পাড়ি জমিয়েছেন। ২০২৯ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে অন্তত একজন করে শিক্ষার্থীকে বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। পর্যায়ক্রমে এই উদ্যোগ সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি দেশ–বিদেশে নানা সম্মাননা পেয়েছে। এই শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্যারিয়ার গড়ে রেমিট্যান্সের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবেন এবং নিজের পরিবার ও আশপাশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন। প্রকল্পটির আওতায় ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বহু ইউনিয়নে কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য বিভিন্ন দেশে গিয়েছেন, যা একটি চলমান প্রক্রিয়া।
Leave a Reply