বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন

ের উত্তর: সাফ ফুটবল নিয়ে আপনার সব

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২৭ সময় দেখুন

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ হলো সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর।

সাধারণত সাফভুক্ত দেশগুলোর জাতীয় ফুটবল দল এতে অংশ নেয়, তবে বিভিন্ন সময়ে টুর্নামেন্টে অতিথি দলের অংশগ্রহণের নজিরও রয়েছে।

টুর্নামেন্টটি ১৯৯৩ সালে ‘সার্ক গোল্ডকাপ’ নামে যাত্রা শুরু করলেও ১৯৯৫ সালে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘সাউথ এশিয়ান গোল্ডকাপ’। বর্তমানের পরিচিত নাম ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ’ ব্যবহৃত হতে শুরু করে ১৯৯৭ সাল থেকে। এবার বাংলাদেশে এই টুর্নামেন্টের ১৫তম আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

টুর্নামেন্ট আয়োজনের কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। অতীতে দেখা গেছে, কোথাও মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে আসর বসেছে, আবার কোথাও চার বছর পর্যন্ত সময় লেগেছে। আয়োজক হিসেবেও বাংলাদেশ বেশ পরিচিত। এবারের টুর্নামেন্ট নিয়ে চতুর্থবারের মতো স্বাগতিক হওয়ার গৌরব অর্জন করল বাংলাদেশ, যা ভারতের রেকর্ডের সমান। এবার চতুর্থবার আয়োজক হয়ে ভারতের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলছে বাংলাদেশ।

চলতি আসরে ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নেপাল অংশ নিতে পারছে না। ফলে ছয়টি দল নিয়ে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে প্রতিটি দল গ্রুপ পর্যায়ে দুটি করে ম্যাচ খেলবে। গ্রুপের সেরা দুটি দল সেমিফাইনালের টিকিট পাবে এবং সবশেষে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। টুর্নামেন্টে কি সেরা দলই পাঠায় দেশগুলো।

সাফ ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ভারত। এ পর্যন্ত ১৪টি আসরে অংশ নিয়ে তারা নয়বার শিরোপা জিতেছে। ২০০৩ সাল ছাড়া প্রতিটি আসরেই তারা শীর্ষ দুইয়ে ছিল। বিশেষ উল্লেখ্য যে, ২০০৯ সালের মতো এবারও ভারত তাদের জাতীয় দলের আড়ালে অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়ে মাঠে নেমেছে। উল্লেখ্য, ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনটি আসরে খেলা আফগানিস্তান বর্তমানে সেন্ট্রাল এশিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হওয়ায় সাফ থেকে বেরিয়ে গেছে। বিশ্বের সবচেয়ে আইকনিক ১০ ফুটবল স্টেডিয়াম। টাইব্রেকারের আগে ১-১ সমতা ছিল ম্যাচটি।

বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৯৯৩ সালের প্রথম টুর্নামেন্টে তারা অংশ নেয়নি। এরপর হওয়া ১৩টি আসরের সবগুলোতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ একবার শিরোপা জিতেছে। সেটি ছিল ২০০৩ সালের ঘরের মাঠের আসর, যেখানে টাইব্রেকারে মালদ্বীপকে ৫-৩ গোলে হারিয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এর আগে ও পরে আরও দুইবার ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জেতা হয়নি। মোট পাঁচটি দেশ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে: ভারত (৯ বার), মালদ্বীপ (২ বার) এবং বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা একবার করে। বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ঠিক আগের ও পরের টুর্নামেন্টেও ফাইনালে উঠেছিল। সাফে বাংলাদেশের জয়-হারের পরিসংখ্যান কী। মাঠের বাইরে দি মারিয়া আসলে কেমন মানুষ: তাঁর অজানা কিছু গল্প। ১৪ বার অংশ নিয়ে নয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দলটি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর