ঢাকা, ০১ নভেম্বর ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): আজ রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, এক অটোরিকশায় দুই থেকে চারজনের বেশি যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। প্রতিটি গাড়িতে কিউআর কোডযুক্ত নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘একটি পরিচয়পত্র দিয়ে সর্বোচ্চ ৫টি নিবন্ধন করা যাবে। অর্থাৎ একজন ৫টির বেশি অটোরিকশার মালিক হতে পারবেন না। দুই থেকে চারজনের বেশি যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। প্রতিটি গাড়িতে কিউআর কোডযুক্ত নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।’
নতুন নীতিমালার তথ্য জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চারজন যাত্রী পরিবহনের রিকশার নিবন্ধন ফি ১০ হাজার। প্রতিবছর নবায়ন করে ১২ বছর পর্যন্ত চালানো যাবে। প্রতিটি রিকশার স্পিডলিমিট থাকবে।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪টি করে মোট ৮টি অঞ্চল করা হবে। প্রতিটি অঞ্চলের ই-রিকশার রং হবে আলাদা। কোন অঞ্চলে কতটি রিকশা চলবে, তা সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ আলোচনা করে নির্ধারণ করবে।
ই-রিকশার নিবন্ধনের সংখ্যায় আপাতত কোনো সীমা রাখা হয়নি জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নিবন্ধন পেতে হলে বর্তমানে চলাচলকারী রিকশাগুলোকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ চলাচলের অঞ্চল, সড়ক, রং ও সংখ্যা চূড়ান্ত করবে।’
এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালানো যাবে না বলে জানিয়েছেন মীর শাহে আলম।
বিধিমালায় চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের ব্যবস্থা থাকলেও এখনই তা কার্যকর করা হচ্ছে না জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, ‘একসঙ্গে লাখ লাখ চালক লাইসেন্স নিতে গেলে সেই চাপ সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনগুলোর সীমাবদ্ধতা রয়েছে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা নিবন্ধনের প্রক্রিয়াটা আগে শুরু করি। নিবন্ধন প্রক্রিয়ার কিছুদূর এগিয়ে গেলে এটার জন্য আলাদা একটা প্রজ্ঞাপন জারি করে তখন ড্রাইভিং লাইসেন্সে যাব।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপাতত রিকশার মালিকরা চালকদের পরিচয়পত্র দেবেন। পরে পর্যায়ক্রমে তাদের লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে।’
Leave a Reply