আব্দুল্লাহীল কাফী মাসুম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-রংপুর, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): স্থানীয় সরকারের ঘোষণা মোতাবেক সমাগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সকল পর্যায়ের আগ্রহী ও সম্ভ্যাব্য প্রতিদ্বন্দিতাকারী প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়ে গেছে। এবারের নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ না থাকলেও পূর্ণাঙ্গ দলীয় সমর্থন থাকছে। তেমনি জামায়াত ইসলামী সমর্থিত রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ১২ নং মিঠিপুর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী সর্বজন পরিচিত,ইউনিয়নবাসীর প্রিয়মুখ মাওলানা মো. খাইরুল আমিন। তিনি জামায়াত ইসলামী ওলামা বিভাগ পীরগঞ্জ উপজেলা শাখা সভাপতি এবং সূরা ও কর্মপরিষদের উপজেলা কমিটির একজন সক্রিয় সদস্য।
রাজনৈতিক পরিচিতির পাশাপাশি খাইরুল আমিন
মিঠিপুর ইউনিয়নের হাসানপুরী পীর সাহেব মরহুম আব্দুল খালেক-এর সুযোগ্য সন্তান। মাতাঃ মরহুমা রাবেয়া বেগম একজন গৃহীনি। বর্তমান হাসানপুরী পীরের উত্তরসূরী ও গদ্দিনশীল পীর সাহেব এবং মাদারগঞ্জ ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জনাব মাওলানা মো. মোস্তফা আল আমিন, খাইরুল আমিনের জ্যেষ্ঠ্য ভ্রাতা। হাসানপুরী পীরসাহেব মরহুম আব্দুল খালেক -এর দুই পুত্রই নিজ নিজ অবস্থানে সুপ্রতিষ্ঠিত। হাদীসে কামিল পাশ খাইরুল আমিন সমাজসেবায় সর্বদা নিজেকে ব্যস্ত রাখার চর্চা করেন। ইউনিয়নে প্রায় ৮০টি মসজিদে তিনি প্রতি শুক্রবার পর্যায়ক্রমে জুম্মার নামাজে যোগ দেন। একজন স্বনামধন্য পীরের সন্তান হিসেবে সকল মুসুল্লীগণ সর্বসস্মতিক্রমে তাঁকে ওইদিন ঈমামতির দায়িত্ব প্রদান করে সম্মানিত করেন বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি এলাকাঘুরে জানা যায়, ১২ নং মিঠিপুর ইউনিয়নবাসীর কাছে মাওলানা খাইরুল আমিনের জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। বিভিন্ন সামাজিক আচার, বিচার, শালিস অনুষ্ঠানগুলিতে তাঁর বিচারিক কাজের গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেড়েছে, ওই সকল বৈঠকে তিনি তাঁর পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্ত্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন বলে এলাকাবাসী জানান। মাওলানা খাইরুল আমিন এ প্রতিবেদককে জানান, চিরপ্রতিদ্বন্দি হাসানপুর ও একবারপুরের মানুষের সারাজীবনের দ্বন্দ নির্মূল করে, চিরতরে “পুরের” রাজনীতি বন্ধ করতে চাই। ইউনিয়নবাসী নারী-পুরুষ এবং সকল গোত্রের জন্য সমঅধিকার প্রতিষ্ঠায় নিজেকে উৎস্বর্গ করব ইনশাহ্আল্লাহ্। ইউনিয়নকে বাল্যবিবাহ, দূর্নীতি ও মাদকমুক্ত করার দৃঢ় অঙ্গীকার করেন তিনি।
Leave a Reply