ঢাকা, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজবাড়ী-২ (পাংশা-বালিয়াকান্দি-কালুখালী) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয় লাভ করেছেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ধানের শীষের প্রার্থী মো. হারুন অর রশিদ হারুন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি ২ লাখ ৩৭ হাজার ২৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. জামিল হিজাযী শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৬৭ হাজার ২৯৯ ভোট। ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫৫ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাসের মাঝে জোর দাবি উঠেছে তরুণ রাজনীতিবিদ হারুন অর রশিদকে মন্ত্রী করার। চায়ের দোকান, হাট-বাজার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পর্যন্ত আলোচনা চলছে এবারের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে রেকর্ড গড়া এই নেতাকে ঘিরে।
তরুণ রাজনীতিবিদ হারুন-অর-রশিদ তৃণমূলের তুমুল জনপ্রিয় নেতা। গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ শাসনামলে হারুন রাজপথে থেকে জেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত রেখেছেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা-মামলা, জেল-জুলুম সবসময় পাশে থেকে তাদের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মতে, গত ১৭ বছর জেলা বিএনপিসহ রাজবাড়ী-২ আসনের তিন উপজেলাকে নিজের সন্তানের মতন আগলে রেখেছেন হারুন। অনেক নির্যাতন, নিপিড়ীন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন তিনি। অত্যন্ত স্বচ্ছ ইমেজের পরীক্ষিত এ নেতাকে মন্ত্রী করা হলে যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবেন। এতে দলের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন তিনি।
হারুন অর রশিদের ব্যক্তিত্বের বিশেষ দিক হলো আন্তরিকতা ও সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর সংযোগ। দল-মত নির্বিশেষে তার ব্যবহার সবাইকে মুগ্ধ করে। কোনো অনুষ্ঠানে তিনি সাধারণত মঞ্চে বসেন না; বরং কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিচেই অবস্থান করেন। সিনিয়র নেতাদের মঞ্চে বসার ব্যবস্থা করে দিয়ে নিজে কেবল বক্তব্য দেওয়ার সময় মঞ্চের পাশে যান। সবমিলিয়ে তার এই সাদাসিধে মনোভাব ও মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে যাওয়ার ক্ষমতাই তাকে প্রায় আড়াই লাখ ভোট পেতে সহায়তা করেছে বলে স্থানীয়দের অভিমত।
রাজবাড়ী-২ আসনের অন্তর্গত তিন উপজেলার বিএনপির একাধিক নেতা হারুন সম্পর্কে বলেন, হারুন অর রশিদ একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। দলের দুর্দিনে তিনি সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তৃণমূলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। তার নেতৃত্বে কেন্দ্র ঘোষিত সব কর্মসূচিতে আমরা পালন করেছি। গত ১৭ বছর তিনি অভিভাবকের মতো আমাদের পাশে থেকেছেন। তিনি একজন অসাধারণ সংগঠক এবং দলের দুঃসময়ে সবসময় সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছেন।
বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল ছাড়াও রাজবাড়ী-২ এর আপমর জনতার প্রানের দাবির সংগে একমত পোষন করে ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সভাপতি, দক্ষিণ বঙ্গ উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ অনলাইন মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, জাতীয় ঢাকা প্রেস ক্লাব-এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সভাপতি, দক্ষিণ অঞ্চল সাংবাদিক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ঢাকা টিভির চেয়ারম্যান, সিনিয়র সাংবাদিক, রাজবাড়ীর কৃতি সন্তান আলতাফ মাহমুদ-ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজবাড়ী-২ (পাংশা-বালিয়াকান্দি-কালুখালী) আসনের বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয় লাভকারী জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ হারুনের মত এই স্বজ্জন ব্যক্তিকে যেন মন্ত্রী পরিষদে স্থান দিয়ে এলাকার উন্নয়নে বলিষ্ট ভুমিকা রাখার জন্য তারেক রহমানের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।
Leave a Reply