অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিক জানতে চান, শোনা যাচ্ছে—পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নিজে এবং তার আরও দুজন সহকর্মী কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন। একই সময়ে কয়েকজন উপদেষ্টা বিদেশ সফরেও যাচ্ছেন।
জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘এখানেই মিসইনফরমেশন তৈরি হয়। আমি বা আমার স্ত্রী কেউই কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করিনি। আমার পাসপোর্ট এখনো আমার কাছেই আছে এবং বহাল রয়েছে। দায়িত্ব পালনরত একজন পররাষ্ট্র উপদেষ্টার জন্য কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করা খুবই অস্বাভাবিক হতো।’
তবে তিনি জানান, উপদেষ্টাদের মধ্যে অনেকেই কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন—এটি সত্য। তার ভাষায়, ভবিষ্যতে বিদেশ যেতে হতে পারে—এমন বিষয় বিবেচনায় রেখে সময়মতো ভিসা পাওয়ার সুবিধার জন্যই তাঁরা আগেভাগে পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন।
পরে ওই সাংবাদিক জানতে চান, ভিসা নেওয়া সহজ করার উদ্দেশ্যেই কি উপদেষ্টারা পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন? জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টি ভিসা সহজ করার নয়, বরং সময় বাঁচানোর। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল হলেও যুক্তরাষ্ট্রের বি–১ ও বি–২ ভিসা বাতিল হয় না। তবে বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে নতুন পাসপোর্টে ভিসা ট্রান্সফার করতে সময় লাগে। সেই সময় বাঁচাতেই অনেক উপদেষ্টা আগেভাগে কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘তবে এটি সঠিক নয় যে, আমি নিজে বা আমার পরিবার কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছি।’
Leave a Reply