মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন

এনসিপির উত্তরাঞ্চলের সংগঠক এমপি প্রার্থী প্রীতি নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে সরিয়ে নিলেন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫১৮ সময় দেখুন

ঢাকা, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনকালীন কার্যক্রম থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন সংগঠনের সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) ও সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের দলের মনোনীত প্রার্থী দূতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি)। আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে দূতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি গনমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

তিনি বলেন, আমার দল যে জোটে অংশগ্রহণ করেছে সেইটা আমার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ জন্য নির্বাচনকালীন সকল কার্যক্রম থেকে আমি বিরত থাকব। এখনো পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিইনি। খুব দ্রুতই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেব।

 

দূতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি এনসিপির সংগঠকের (উত্তরাঞ্চল) পাশাপাশি জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় সিনিয়ির যুগ্ম সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দূতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি উল্লেখ করেন, বিগত গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি ‘নয়া রাজনৈতিক বন্দোবস্তু’ এবং মধ্যপন্থার প্রতিশ্রুতি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এনসিপির জন্মলগ্নে আমাদের স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল একটি স্বাধীন, স্বতন্ত্র ও ‘বাংলাদেশপন্থা’-ভিত্তিক রাজনীতির। সেই আকাঙ্ক্ষাকে সামনে নিয়েই আমি দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী এনসিপির সঙ্গে একই পতাকা তলে যুক্ত হয়েছিলাম।

 

ত্রয়োদশ নির্বাচনকে ঘিরে দলের শীর্ষ নীতিনির্ধারক ও আহ্বায়ক বারবার ৩০০ আসনে এককভাবে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে, নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জ ৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র উত্তোলনের অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু গত ২৮ ডিসেম্বর জামায়াত ইসলামীসহ ৮ দলীয় জোটে বিভিন্ন শর্তসাপেক্ষে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দল তার নিজস্ব বক্তব্য থেকে বিচ্যুত হয়েছে।

 

বিশেষ করে শীর্ষ নেতৃত্বের ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র বিতরণ এবং তৃণমূল পর্যন্ত বিশেষ করে মনোনয়ন নেওয়া ব্যক্তিদের এ জোট ঘোষণার মাধ্যমে প্রবঞ্চনা করা হয়েছে বলে মনে করি। এমতাবস্থায় নিজের নৈতিকতা ও আদর্শ বিসর্জন দিয়ে এবং জনতার বিশ্বাসের অমর্যাদা করে এই জোটের অংশ হতে আমি ইচ্ছুক নই। দল মনোনয়ন দিলেও এই জোটের প্রার্থী আমি হতাম না।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করেন, এই প্রেক্ষাপটে, আমি নিজেকে দলের যাবতীয় নির্বাচনকালীন কার্যক্রম থেকে নিষ্ক্রিয় করছি এবং পরিস্থিতি পুনর্বিবেচনা সাপেক্ষে দ্রুতই পরবর্তী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমি ক্ষমতা নয়, জনতার অধিকার রক্ষা ও নতুন রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে এসেছি। নতুন রাজনীতি ও মজলুমের পক্ষে আমি আজীবন কথা বলে যাব, ইনশাআল্লাহ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর