মোহাম্মাদ নাদের-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি (ইউএসএ), ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): দুই দেশ থেকে শত শত সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে কাতার ও বাহরাইন থেকে শতাধিক মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নিউইয়র্ক টাইমসের বরাতে আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পত্রিকাটির খবরে বলা হয়েছে, কাতারের আল উইদেদ বিমান ঘাঁটি থেকে থেকে কয়েকশ’ মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। পেন্টাগনের একাধিক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া বাহরাইন থেকেও কিছু মার্কিন বাহিনী সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহর বা ইউনাইটেড স্টেটস ফিফথ ফ্লিটের ঘাঁটি এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক উপস্থিতির কেন্দ্র। তবে কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা সরানো হলেও, মার্কিন বাহিনী এখনও ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন ঘাঁটিতে অবস্থান করছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কায় এটি একটি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ। এমন হামলা হলে তেহরান অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ঘাঁটি ও সেনাদের লক্ষ্যবস্তু করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।
এর আগে বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জাতিসংঘে ইরানের মিশন প্রধান সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর হামলা হলে অঞ্চলে থাকা ‘শত্রু শক্তির সব ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদ বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে’ পরিণত হবে। এ ঘটনায় ‘অপ্রত্যাশিত ও নিয়ন্ত্রণহীন পরিণতির’ সম্পূর্ণ দায় যুক্তরাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে।
উল্লেখ্য, আল উদেইদ বিমানঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি। এ ঘাঁটিতে প্রায় ১০ হাজার সেনা রয়েছে।
Leave a Reply