রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ন

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আলাদাভাবে কোনো আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক : মুখপাত্র 

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
  • ২৪ সময় দেখুন

ঢাকা, ২৬ জুলাই ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আলাদাভাবে কোনো আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম তদন্তের সময় তার বা অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাই তাকে লক্ষ্য করে ব্যক্তিগতভাবে আলাদা কোনো অনুসন্ধান বা তদন্ত পরিচালনার পরিকল্পনা বাংলাদেশ ব্যাংকের নেই।

তবে মুখপাত্র জানান, দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতের সংস্কারের অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তদন্ত চলমান রয়েছে। এসব তদন্তে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম কিংবা সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আরিফ হোসেন খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল লক্ষ্য হলো আর্থিক খাতের সুশাসন নিশ্চিত করা এবং প্রতিষ্ঠানভিত্তিক অনিয়মের তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তদন্তে যারই সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তার ক্ষেত্রেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইসলামী ব্যাংকের ৮০ হাজার কোটি টাকা শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সরাসরি জড়িত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স। এই মর্মে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

সম্প্রতি বিএফআইইউ হাইকোর্টে এ প্রতিবেদন দাখিল করে। আদালত এ বিষয়ে দুদককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

এই মামলা সংশ্লিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির শনিবার (২৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগামী বুধবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে জেএমসি বিল্ডার্সের মনোনীত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরে ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ওই দায়িত্বে বহাল ছিলেন এবং এই সময়কালের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক থেকে ২৪টি কোম্পানি মিলে ৮০ হাজার কোটি টাকা লোন নেয়। ২৪টি কোম্পানির একটি হলো রাষ্ট্রপতির কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স। ওই টাকা এখনও ইসলামী ব্যাংককে পরিশোধ করা হয়নি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর