শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন

পদ্মা সেতুর পিলারের গোড়া দুর্বল করার জন্য কোনো মাটি সরানো হয়নি, নির্মাণকাজের সময় রাখা অতিরিক্ত মাটিই অপসারণ করা হয়েছে : সেতুমন্ত্রী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ২৪ সময় দেখুন

ঢাকা, ১৬ জুন ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সেতুর পিলারের গোড়া দুর্বল করার জন্য কোনো মাটি সরানো হয়নি, নির্মাণকাজের অংশ হিসেবে রাখা অতিরিক্ত মাটিই অপসারণ করা হয়েছে।

পদ্মা রেলসেতুর একটি পিলারের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ।

মন্ত্রী বলেন, মাটি খুঁড়ে নেওয়া হয়েছে, বিষয়টা এ রকম না। সেতু নির্মাণের সময় কিছু প্রতিবন্ধকতা বা ছোট ছোট ব্যারিয়ার তৈরি করা হয়। সেখান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু মাটি সরানো হয়েছিল।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় পদ্মা রেলসেতুর একটি পিলারের পাশে মাটি অপসারণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ঘিরে সেতুর নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, নির্মাণকাজের সহায়ক হিসেবে ওই অতিরিক্ত মাটি রাখা হয়েছিল। দীর্ঘদিন তা সরানো হয়নি। পরে মাটি জমে উঁচু হয়ে যাওয়ায় সেখান থেকে মই ব্যবহার করে কিছু জিনিস চুরি হওয়ার বা চুরির চেষ্টা হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মাটি অপসারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে ওই স্থানে গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

একই ব্রিফিংয়ে রাজধানীর বাসস্ট্যান্ড স্থানান্তর পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন সেতুমন্ত্রী। তিনি জানান, ঢাকার বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ধাপে ধাপে স্থানান্তর করা হবে। তবে এটি রাতারাতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে একটি বাসস্ট্যান্ডে ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বাস অবস্থান করে, যা যানজট ও অব্যবস্থাপনা সৃষ্টি করছে। ভবিষ্যতে বাসগুলো ডিপোতে থাকবে এবং নির্ধারিত সময়ের কিছু আগে যাত্রী পরিবহনের জন্য স্ট্যান্ডে আসবে।

মহাখালী বাসস্ট্যান্ড আপাতত বহাল থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি উত্তরায় স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। এ জন্য ৫০ বিঘা জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত বাস রাখার জন্য ৩০০ ফিট এলাকায় একটি স্থান সাময়িক ডিপো হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ডও পর্যায়ক্রমে কাঁচপুরে স্থানান্তর করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। তবে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হওয়ার পরই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বাসস্ট্যান্ডগুলো মূলত যাত্রী ওঠানামার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হবে। দীর্ঘ সময় বাস রাখার কাজ হবে নির্ধারিত ডিপোতে। এর মাধ্যমে রাজধানীর যানজট ও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার আশা করছে সরকার।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর