শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন

প্রয়াত স্ত্রী আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ২৪ সময় দেখুন

বিনোদন ডেস্ক, ১৮ জুন ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): প্রয়াত স্ত্রী আফরা ইভনাথ ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে নিয়ামত উল্লাহ ভুইয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার এ মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি। তবে শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটির দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনও অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

আরও বলা হয়, আসামি গুরুতর অসুস্থ। ক্রনিক অ্যাজমা ব্রঙ্কাইটিস বা গুরুতর হাঁপানি রোগে ভুগছেন।

গত ১৩ জুন আসামি অ্যাজমা এট্যাক হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। আসামির বর্তমান শারীরিক অবস্থায় কোনোভাবেই বন্ধ জায়গায় বা জেল-হাজতে আটক রাখা সমীচীন হবে না। যা কিনা তার শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য জামিনে মুক্তি দিয়ে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা অনিবার্য।

এদিন আসামি পক্ষের আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়াসহ অনেকেই তার পক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন। বাদীপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।

আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে, তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর