শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন

আগামী ৬ জুনের আগে সংশ্লিষ্টরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ করার বিষয়ে একমত : ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪৫ সময় দেখুন

ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, আগামী বছরের ৬ জুনের আগে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শেষ করার বিষয়ে একমত হয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিরা। এইচএসসি পরীক্ষার আগে নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

এর আগে দুপুরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসে ইসি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন এতে সভাপতিত্ব করেন।

ইসি সানাউল্লাহ বলেন, বৈঠকে অংশ নেওয়া সবাই ৬ জুনের আগে ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন করার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন। তবে নির্বাচন আয়োজনের জন্য উপযুক্ত সময় নির্ধারণে আরও কিছু সমন্বয়ের কাজ করতে হবে।

ইউপি নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা ও শিক্ষকদের দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার।

তিনি বলেন, বন্যার কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে যে প্রভাব পড়েছে, তা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। এ অবস্থায় নির্বাচন আয়োজনের কারণে যেন পরীক্ষায় বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা অনুরোধ জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের প্রশিক্ষণ, সমন্বয় ও দায়িত্ব পালনের জন্য একজন শিক্ষকের অন্তত এক সপ্তাহ প্রয়োজন হয়। এ সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের মূল্যায়ন ও পরীক্ষাসংক্রান্ত প্রস্তুতির কাজও থাকে। বিষয়গুলোকে যৌক্তিক উদ্বেগ হিসেবে বিবেচনা করছে কমিশন। নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনায় এসব বিষয় সমন্বয় করা হবে।

ইসি সানাউল্লাহ আরও বলেন, নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাজেট পরিকল্পনাসহ কিছু আনুষঙ্গিক সমন্বয়ের কাজ বাকি রয়েছে। এসব কাজ দ্রুত শেষ করে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ জানানো হবে।

ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে তিনি বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরজুড়ে বিভিন্ন পরীক্ষা থাকায় নির্বাচন আয়োজনের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাচ্ছে না। জানুয়ারিতে কিছুটা ছুটি থাকলেও ফেব্রুয়ারিতে রোজা শুরু হবে। রোজা শেষ হওয়ার পরপরই এসএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ৬ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষার মধ্যবর্তী সময় বিবেচনায় নিতে হচ্ছে কমিশনকে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য পাওয়া সময়ের পরিসর খুবই সীমিত। এ সময়ের মধ্যে কীভাবে সব নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব, তা নিয়ে আরও কাজ করতে হবে। কমিশনের প্রাথমিক পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠকে মতামত পাওয়া গেছে। এসব তথ্য ও মতামত নিয়ে কমিশন সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ডিসেম্বর থেকে নির্বাচন শুরু হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সানাউল্লাহ বলেন, এ বিষয়ে এখনো কমিশন কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর