সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন

রাষ্ট্রপতি যে কাউকে মনোনীত করতে পারেন নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর জন্য : আইন উপদেষ্টা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১২ সময় দেখুন
ঢাকা, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের শপথ পড়ানোর সুযোগ নেই।

আইন উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সাবেক স্পিকার, ডেপুটি স্পিকারের শপথ পড়ানোর সুযোগ নেই। এছাড়া তাদের একজন পলাতক এবং অপরজন কারাগারে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে মামলাও আছে।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর জন্য বর্তমানে দুটি পথ খোলা আছে। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত ব্যক্তি নতুন এমপিদের শপথ পড়াবেন। আর তিন দিনের মধ্যে এটি করা না গেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাদের শপথ পড়াবেন। তবে আমরা আশা করি, তিন দিনের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত ব্যক্তির মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো সম্ভব হবে।

আসিফ নজরুল বলেন, সংবিধান অনুযায়ী সাধারণত নতুন সংসদ সদস্যরা স্পিকার অথবা ডেপুটি স্পিকারের কাছে শপথ নেন। তবে, বর্তমান পরিস্থিতিতে একজন পালাতক এবং অন্যজন কারাগারে থাকায় তাদের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এছাড়া, তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর মামলার বিষয় এবং পদত্যাগের ঘটনাও পরিস্থিতিকে জটিল করেছে।

উপদেষ্টা বলেন, এই প্রেক্ষাপটে সংবিধানে বর্ণিত বিকল্প ব্যবস্থাগুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। একটি বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যে কাউকে মনোনীত করতে পারেন শপথ পড়ানোর জন্য। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে উচ্চপদস্থ কোনও সাংবিধানিক পদধারী—যেমন প্রধান বিচারপতি—এই দায়িত্ব পালন করতে পারেন, যদি তিনি সম্মত হন।

তিনি বলেন, আরেকটি সাংবিধানিক বিধান বলছে, নির্বাচনের পর তিন দিনের মধ্যে কোনও কারণে শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করা না গেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ করাতে পারবেন।

আসিফ নজরুল বলেন, সরকার যত দ্রুত সম্ভব নতুন সংসদের কার্যক্রম শুরু করতে চায়। সে কারণে বিলম্ব না করে সাংবিধানিকভাবে গ্রহণযোগ্য পথ বেছে নেওয়ার বিষয়টি এখন অগ্রাধিকার পাচ্ছে।

আইন উপদেষ্টা বলেন, শপথ আয়োজনের বিষয়টি সরকারের নীতিগত পর্যায়ের সিদ্ধান্তের মধ্যে পড়ায় এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে আনুষ্ঠানিক মতামত উপস্থাপন করা হতে পারে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর