প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১৬ বছর পর এই ভোট শুধু একটি নির্বাচন নয়, এটি একটি গণভোট। জনগণকে বিচার-বিবেচনা করে ভোট দিতে হবে।
বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একটি দল সারাদেশে ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে গণহারে মামলা দিয়েছিল, এখন নির্বাচনে এসে বলছে মামলা তুলে নেবে। এটা তাদের কুটকৌশল, এতে আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। তারা ৩১ দফা থেকেও সরে এসেছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, একটি দল সারাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের ওপর হামলা করছে এবং ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করছে। যা আওয়ামী লীগের অতীত কর্মকাণ্ডেরই পুনরাবৃত্তি। একতরফা হামলা চলতে থাকলে জনগণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে।
জনসভায় এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, গত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষের ওপর নির্যাতন চালানো আওয়ামী লীগকে আবারও নির্বাচনের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনার জন্য একটি দলের শীর্ষ নেতারা বিভিন্ন জায়গায় সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, খুনি যদি বলে, আজ তাকে ফাঁসি দিলে কাল আমাকে ফাঁসি দেয়া হবে না তার নিশ্চয়তা কোথায়? তাহলে কি সেটাই ন্যায়বিচার? জুলাই মাসে সংঘটিত গণহত্যার চিন্তা এখনও তাদের মাথায় রয়ে গেছে।
জনসভায় মৌলভীবাজার-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এনসিপির প্রীতম দাসকে সবার সামনে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। এ সময় প্রীতম দাস বলেন, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের মানুষের সুবিধার জন্য বিগত ৫ আগস্টের পর আমি অনেকগুলো কাজ করেছি। বিজয়ী হয়ে চা শ্রমিকসহ এই এলাকাকে একটি মডেল এলাকায় রূপান্তরিত করতে চাই।
সভা শেষে একটি নির্বাচনী প্রচারণা মিছিল বের করা হয়, যা শ্রীমঙ্গল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
Leave a Reply