মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন

ইসি সংলাপে প্রণীত আচরণবিধির কয়েকটি দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াত ইসলামী প্রতিনিধি শিশির মনির

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২২৯ সময় দেখুন

ঢাকা, ১৯ নভেম্বর ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী প্রতিনিধি শিশির মনির জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংলাপে প্রণীত আচরণবিধির কয়েকটি দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

 

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংলাপকালে তিনি পোস্টার ব্যবহার, আচরণবিধি লঙ্ঘনের শাস্তি আরোপের এখতিয়ার এবং নির্বাচনী অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির সময়সীমা নির্ধারণ না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

 

পোস্টার ব্যবহারে ‘দ্বৈত নীতি’ নিয়ে প্রশ্ন প্রসঙ্গে জামায়াত ইসলামী প্রতিনিধি শিশির মনির বলেন, আচরণবিধির ৭-এর ‘ক’ উপধারায় ‘কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাইবে না’ উল্লেখ থাকার পরও ৭-এর ‘ঘ’ উপধারায় পোস্টারসহ অন্যান্য প্রচারসামগ্রী ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যাতে ইসির দ্বৈত নীতি প্রকাশ পায়।

 

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আগে বলছেন পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। আবার পোস্টার সরাতে পারবে না, এই কথা বলছেন কেন?

 

শাস্তি আরোপের এখতিয়ার নিয়ে ধোঁয়াশা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য ৬ মাসের কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান থাকলেও কে এই শাস্তি আরোপ করবেন (হু উইল ইম্পোজ দ্য পানিশমেন্ট), সে বিষয়ে আচরণবিধিতে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই।

 

অভিযোগ নিষ্পত্তিতে সময়সীমা আবশ্যক উল্লেখ্য করে শিশির মনির বলেন, নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগ (আচরণবিধির ২৬) দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা উচিত।

 

তিনি আরও বলেন, আমি এখন গিয়ে দেখতে পেলাম আমার ইলেকশন হচ্ছে এক জায়গায় আমি আপনাকে কমপ্লেইন দিলাম। আপনাদের বাধ্যতা থাকা উচিত, আপনাদের সামনে তো কোনো স্টিক নাই। আমি কমপ্লেইন দিয়ে বসে থাকব, আপনারা ডিসপোজ করবেন না, আমার আর কিছু করার থাকবে না। সুতরাং ইউ টাইম লিমিট… এত ঘণ্টার মধ্যে, এত সময়ের ভেতরে ডিসপোজ করবেন। তিনি শত শত অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে সময়সীমা নির্ধারণ করা জরুরি বলেও মত দেন।

 

নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতীক বরাদ্দের পর পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশ্যে রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক একই মঞ্চে সব প্রার্থীর উপস্থিতিতে ইশতেহার পাঠ ও আচরণবিধি প্রতিপালনের ঘোষণা প্রদানের ব্যবস্থা ‘করতে পারবেন’—এই বিধানকে ঐচ্ছিক না রেখে বাধ্যতামূলক করা উচিত।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর