সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন

বিগত সরকারের আমলে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে এনে তা কৃষক ও জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে : তারেক রহমান

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১ সময় দেখুন

বগুড়া, ২০ এপ্রিল ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): আজ সোমবার দুপুরে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীর শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে এনে তা কৃষক ও সাধারণ জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। এই অর্থ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও কৃষি প্রণোদনার মাধ্যমে সরাসরি জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে দেশের কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। আমাদের বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার হলো সেই পাচার হওয়া অর্থ আইনি প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে আনা এবং তা কৃষক ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ব্যবহার করা। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে এই সহায়তা সরাসরি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে।”

বগুড়ার গাবতলীতে দ্বিতীয় পর্যায়ের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ৯১১ জনের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। চলতি এপ্রিল মাসের মধ্যেই দেশের আরও ২৩টি উপজেলায় এই কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

উল্লেখ্য, ক্ষমতায় আসার মাত্র এক মাসের মাথায় গত ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের পরীক্ষামূলক (পাইলটিং) পর্যায় শুরু করেছিল বর্তমান সরকার। মূলত সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানদের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হচ্ছে।

নারীদের ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “দেশের প্রতিটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে আমরা ফ্যামিলি কার্ডের উদ্যোগ নিয়েছি। এই কার্ড মূলত পরিবারের নারী প্রধানদের দেওয়া হচ্ছে। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে নারী ও পুরুষকে সমান তালে কাজ করতে হবে। সরকার সব সময় প্রান্তিক মানুষের পাশে থেকে তাদের উন্নয়নে সহায়তা করে যাবে।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, দলীয় নেতাকর্মী এবং কার্ডপ্রাপ্ত উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচিকে বর্তমান সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন এবং আগামী দিনে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এই ধরনের জনবান্ধব কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর