রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে চীন, ভারত ও পাকিস্তানসহ ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫৮ সময় দেখুন

ঢাকা, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিতে যাচ্ছে নবনির্বাচিত সরকার। এ উপলক্ষে চীন, ভারত ও পাকিস্তানসহ ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর স্বাক্ষরে এসব আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট সূত্র।

সূত্র জানায়, নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলংকা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটানের সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বিএনপির নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেই এই দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, নবনির্বাচিত সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান এবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ভিন্ন আঙ্গিকে। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এবং বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথগ্রহণের আয়োজন করা হয়েছে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি ভেঙে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

এতদিন ধরে নতুন সরকারপ্রধান ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল বঙ্গভবন-এ। সেখানে রাষ্ট্রপতি শপথবাক্য পাঠ করাতেন বিজয়ী দলের নেতা এবং মন্ত্রীদের। তবে এবার স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে সেই ঐতিহ্যবাহী ধারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বৃহৎ পরিসরে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও উন্মুক্ত করার লক্ষ্যেই জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজাকে শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। এতে করে সাধারণ মানুষের সরাসরি উপস্থিতি ও অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতার পরিবর্তন নয়; বরং গণতান্ত্রিক চর্চায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপনের একটি পদক্ষেপ। এর মধ্য দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর