বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন

মালদ্বীপকে হারিয়ে প্রথম সাফ নারী ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২২৭ সময় দেখুন

স্পোর্টস ডেস্ক, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশীপ ২০২৬-এ মালদ্বীপকে হারিয়ে প্রথম সাফ নারী ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। আজ রবিবার থাইল্যান্ডে রাউন্ড রবিন লিগে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে হারিয়ে বাংলাদেশের হাতে উঠে চ্যাম্পিয়নের ট্রফি।

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ননথাবুরি হলে অনুষ্ঠিত শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে ছিল পরিষ্কার সমীকরণ—জিতলেই শিরোপা। তবে ম্যাচের শুরুতেই গোল হজম করে খানিকটা চাপে পড়ে দল। কিন্তু ওই গোল হজম করেই যেন ঘুরে দাঁড়ায় সাবিনারা।

এরপর মালদ্বীপকে চেপে ধরে একের পর এক আক্রমণ চালায় বাংলাদেশ। অধিনায়ক সাবিনা খাতুন হ্যাটট্রিকসহ দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে দলকে এগিয়ে নেন। শেষ পর্যন্ত ১৪–২ গোলের বড় জয় তুলে নিয়ে প্রথম সাফ নারী ফুটসাল শিরোপা ঘরে তোলে বাংলাদেশ।

এর আগে টুর্নামেন্টের শুরুতেই ভারতকে ৩–১ গোলে হারিয়ে চমক দেখায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ভুটানের সঙ্গে ৩–৩ গোলে ড্র করে কিছুটা বিপাকে পড়লেও এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি দলটি।

পরের ম্যাচগুলোতে নেপালকে ৩–০, শ্রীলঙ্কাকে ৬–২ এবং পাকিস্তানকে ৯–১ গোলে বিধ্বস্ত করে সাবিনারা। সবশেষ ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে ১২ গোলের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ।

প্রথম আসরেই সাফ নারী ফুটসালের শিরোপা জয়ে বাংলাদেশ নারী ফুটবলের সাফল্যের ধারায় নতুন মাত্রা যোগ হলো। এই অর্জন দেশের নারী ক্রীড়াঙ্গনে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, ফুটসাল একটি ফুটবল-ভিত্তিক ক্রীড়া, যা ফুটবল মাঠের চেয়ে ছোট একটি শক্ত মাঠে এবং প্রধানত অভ্যন্তরীণ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এই ক্রীড়াকে সংক্ষিপ্ত স্তরের ফুটবল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি ৫ জনের দলের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত ফুটবল, যা অভ্যন্তরীণ ফুটবলের সাথে মিল রয়েছে।

ফুটসাল পাঁচ জন খেলোয়াড়ের দুটি দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়, যাদের মধ্যে একজন গোলরক্ষক থাকে। এই ক্রীড়ায় সীমাহীন খেলোয়াড় বদলের অনুমতি রয়েছে। অভ্যন্তরীণ ফুটবলের কিছু অন্যান্য বিন্যাসের বিপরীতে, এই ক্রীড়া লাইন দ্বারা চিহ্নিত একটি শক্ত মাঠে আয়োজন করা খেলা হয়; যেখানে দেয়াল অথবা বোর্ড ব্যবহার করা হয় না। এটি ফুটবলের চেয়ে ছোট, কঠিন, কম লাফানো বল দিয়ে খেলা হয়। এই মাঠের পৃষ্ঠ, বল এবং নিয়ম বল নিয়ন্ত্রণ এবং ছোট পাস প্রদানের জন্য তৈরিকৃত। এই ক্রীড়াটি “তাৎক্ষণিক উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা এবং কৌশল”-এর উপর জোর দিয়ে থাকে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর