ঢাকা, ১০ জানুয়ারী ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে গভীর আনন্দ প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ এমন একটি দেশ, যার সঙ্গে তিনি খুব ভালোভাবেই পরিচিত এবং এখানে ফিরে আসতে পেরে তিনি অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত।
ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) ও ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে এসব তথ্য জানানো হয়। পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ‘বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথগ্রহণকারী ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে স্বাগত জানাতে পেরে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আনন্দিত।’
রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের বক্তব্য উদ্ধৃত করে পোস্টে বলা হয়, ‘যে দেশটির সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই বাংলাদেশে ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে কর্মরত আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে আমি উচ্ছ্বসিত।’ তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করতে আগ্রহী।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশের পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ চূড়ান্ত করে। তিনি ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত এবং সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও সিনিয়র ফরেন সার্ভিস কাউন্সেলের সদস্য। তিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডে বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন।
কূটনৈতিক জীবনে তিনি ফিলিপাইনের ম্যানিলা, এল সালভাদর, সৌদি আরবের রিয়াদ এবং ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটিতে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়ার কলেজ থেকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
উল্লেখ্য, ঢাকায় সর্বশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার হাস ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তার বিদায়ের পর কিছুদিন রাষ্ট্রদূতের পদটি শূন্য থাকায় চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন নিয়মিত কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
Leave a Reply