আব্দুল্লাহীল কাফী মাসুম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-রংপুর, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): অবৈধভাবে ইট পোড়ানো, পরিবেশ বিপর্যয় ও অনুনোমোদিত ভাবে ইট ভাটা তৈরী করে প্রশাসনের নাকের ডগায় যে সকল ইটভাটা তৈরী করে ইট পোড়ানো হয়েছিল ,সেগুলি বন্ধের জন্য শুরু হয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্বে পরিবেশ অধিদপ্তরের উচ্ছেদ অভিযান। আজ সকাল ৬ জানুয়ারি, মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় এ অভিযান শুরু হয়েছে।
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় এবছর ৫৪টি ইটভাটায় ইট তৈরী ও পোড়ানোর মহোৎসব চলছিল। অনেক ইটভাটা মালিক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে,কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে নিজের খেয়াল খুশী ও মর্জ্জি অনুযায়ী যত্রতত্র ইটভাটা স্থাপন, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই ইট তৈরী ও পোড়ানোর কাজ শুরু করেছেন। এ ব্যাপারে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক অভিযোগের খবর প্রচারিত হলেও ইটভাটা মালিকগণ কোন প্রকার সচেতনতার আশ্রয় না নিয়েই নিজেদের খেয়াল খুশী মোতাবেক ইট পোড়ানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
আজ পরিবেশ অধিদপ্তরের তত্বাবধানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান শুরু হয়। উক্ত অভিযানে
র্যাব,পুলিশ,দমকল বাহিনী ছাড়াও পল্লী বিদ্যুতের কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন। অভিযানের শুরুতেই ৯নং ইউনিয়নের গংগারামপুর গ্রামের হাসানুজ্জামান খাঁন (ফারুক খাঁন) এর ইটভাটার কোন বৈধ কাগজপত্র না থাকায় সেটি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়। পরে ১২ নং ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামের আনিছুর রহমানের ইট ভাটা কোন প্রকার বৈধতা না থাকায় সেটিও ভেঙ্গে ফেলা হয়। ওই একই ইউনিয়নের গবরা কুতুবপুর গ্রামের ইসাহাক আলীর নতুন ইট ভাটার কোন প্রকার অনুমোদন না থাকায় সেটিও ভেঙ্গে ফেলা হয়।
পীরগঞ্জের ৫৪টি ইটভাটার অধিকাংশেরই নেই কোন বৈধ কাগজপত্র,কিংবা পরিবেশ অদিদপ্তরের ছাড়পত্র। এমন খবর প্রচারিত হলে প্রশাসন এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। পরবর্তীতেও ওই অভিযান চলতে থাকবে বলেও ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।
Leave a Reply