বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ার আদেশ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেই দিতে হবে : বরিশালে হাসনাত আব্দুল্লাহ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২২৭ সময় দেখুন

বরিশাল, ০২ নভেম্বর ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): আজ রোববার (০২ নভেম্বর) বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা ও মহানগরের সমন্বয় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বরিশালে জাতীয় নাগরিক পাটির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, গণভোটের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আদেশ জারি করতে হবে এবং সেটা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেই দিতে হবে। এখন এই আদেশ যদি চুপ্পুর কাছ থেকে নিতে হয় তাহলে তা হবে বিপ্লবের কফিনের শেষ পেরেক।

 

এ সময় তিনি বলেন, যিনি হেড অফিস ফ্যাসিজম— তার কাছ থেকে যদি অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি নিতে হয় এর থেকে আর লজ্জার কিছুই নেই।

 

‎তিনশ আসনেই সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এনসিপি কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, ‎আমরা পলিসি ফর্ম করছি, ৩০০ আসনেই যাতে আমাদের সাংগঠনিক বিস্তার ও নির্বাচনকে সামনে রেখে সুসংগত হতে পারি।

 

‎অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, এনসিপি কার দিকে যাচ্ছে সেটা মুখ্য নয়, সংস্কারের পক্ষে কারা আসছে এটাই মুখ্য। আমাদের অবস্থান মৌলিক ও সুস্পষ্ট।

 

ভোলার ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনাগুলো শুরু হয়েছে, এর আরও পুনরাবৃত্তি ঘটবে। এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, স্থায়ীভাবে যাতে বন্ধ হয়। আমরা যেন গুণগত, কাঠামোগত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যেতে পারি। আমাদের যে আসন্ন নির্বাচন, যাতে অবাধ, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ হয় এর দায়িত্ব হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলোর।

 

‎তিনি বলেন, ‎জনগণ যাকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় নিয়ে আসবে সে-ই বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনা করবে। এতে আমাদের ভিন্ন মত নেই। এ জন্যই আমরা চাই নির্বাচনে যাতে কারও প্রভাব না থাকে।

 

‎তিনি বলেন, ‎নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের কোনো রূপরেখা নেই। প্রতীক দেওয়ার ক্ষেত্রে লিগ্যাল একটি নিয়ম থাকা উচিত। আমরা সংশয় প্রকাশ করি নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারী আচরণের। শাপলা কেন দেবে না সেই ব্যাখ্যা তারা দেয়নি। নির্বাচন যদি সুষ্ঠু নাও হয়, আবার যদি ব্যালট বক্সে চুরির ঘটনা ঘটে সে সময় যদি তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়, তখন তারা এটিরই পুনরাবৃত্তি করবে যে, ব্যাখ্যা দিতে পারব না। এটি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের লড়াই ছিল।

 

‎আয়োজিত এ সমন্বয় সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। সভাপতিত্ব করেন এনসিপি বরিশাল জেলার সমন্বয়কারী আবু সাঈদ মুসা।

 

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা আলম মিতু, যুগ্ম সদস্য সচিব ফয়জাল মাহমুদ শান্ত, আরিফুর রহমান তুহিন, দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক আসাদ বিন রনি ও কেন্দ্রীয় সদস্য রফিকুল ইসলাম কনক।

 

এর আগে রোববার সকালে ভোলায় জেলা এনসিপির সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন হাসনাত আবদুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। সেখানে দলের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর