রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন

পৃথক তিনটি মামলায় আসামি করা ২৫ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ জন এখনো কর্মরত রয়েছেন : প্রসিকিউটর

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৪২ সময় দেখুন

ঢাকা, ২৬ অক্টোবর ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): আজ রবিবার দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজি মোনাওয়ার হুসাইন তামীম বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিনটি মামলায় আসামি করা ২৫ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ জন এখনো কর্মরত রয়েছেন।

 

একজন সাংবাদিক জানতে চান, “আপনি সেনা কর্মকর্তাদের ‘সার্ভিং’ বলছেন। কিন্তু সংশোধিত আইনে তো বলা আছে, ফরমাল চার্জ দাখিল হলে তাদের চাকরি থাকার কথা নয়। তাহলে তাঁরা চাকরিচ্যুত নাকি কর্মরত?”

 

এর জবাবে প্রসিকিউটর মোনাওয়ার হুসাইন বলেন, ‘যেটা আইনে বলা আছে, সেটাই আইনের ব্যাখ্যা। এখন সেনা সদর দপ্তর সিদ্ধান্ত নেবে, এই আইন কবে তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করবে। যতক্ষণ পর্যন্ত তা না হচ্ছে, ততক্ষণ তারা কর্মরত বলেই গণ্য হবেন।’

 

প্রসিকিউটর জানান, এই তিনটি মামলার মধ্যে দুটি হচ্ছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সংঘটিত গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা। অন্যটি জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা।

 

এ মামলাগুলোর আসামিদের মধ্যে ১৫ জন সেনা কর্মকর্তা কর্মরত, একজন অবসরোত্তর ছুটিতে (এলপিআর), আর ৯ জন অবসরে আছেন।

 

প্রসিকিউটর জানান, গুম–নির্যাতনের দুটি মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ছিল ২০ নভেম্বর। তবে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সময় বৃদ্ধির আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করে ২৩ নভেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করে।

 

অন্যদিকে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় রামপুরা এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ছিল ৫ নভেম্বর। এই মামলার দিনও পরিবর্তন করে ২৪ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে।

 

প্রসিকিউটর মোনাওয়ার হুসাইন বলেন, ‘প্রসিকিউশনের অভ্যন্তরীণ জটিলতার কারণে তারিখ পরিবর্তনের আবেদন করা হয়েছিল, যা আদালত গ্রহণ করেছে।’

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর