শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন

চলছে দুর্গাপূজার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি: উৎসবের রঙে সেজে উঠছে গ্রাম ও শহর

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১০৮ সময় দেখুন

বিশ্বজিৎ কুমার বসু-ভ্রাম্যামান প্রতিনিধি, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): সারা দেশে এখন হিন্দু ধর্মালম্বীদের বড় উৎসব দূর্গাপূজার  আমেজ শুরু হতে চলেছে । শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত সবখানে চলছে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি। দেবী দুর্গা এবার ঘোড়ায় চড়ে মর্ত্যে আসবেন। এই আগমনকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে এক নতুন উদ্দীপনা। দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি।

 

প্রতিমার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। শিল্পীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে দেবীর প্রতিমাকে নিপুণ হাতে সাজিয়ে তুলছেন। নানা রঙের তুলি, সোলার সাজ, আর জরি দিয়ে প্রতিমাকে জীবন্ত করে তোলার এই প্রয়াস দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকেরা ভিড় জমাচ্ছেন।

 

প্যান্ডেলের আলোকসজ্জা ও থিম

প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন পুজো কমিটি তাদের থিমের প্যান্ডেল ও আলোকসজ্জা দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করার প্রস্তুতি নিয়েছে। নতুন নতুন থিম, বৈচিত্র্যময় শিল্পকর্ম এবং অত্যাধুনিক আলোকসজ্জা দিয়ে সাজানো হচ্ছে মণ্ডপগুলো। এরই মধ্যে শহরের কয়েকটি বড় পুজোর প্যান্ডেল উদ্বোধন করা হয়েছে এবং দর্শনার্থীদের আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে।

 

উৎসবের কেনাকাটা তুঙ্গে

পূজা উপলক্ষে কেনাকাটা এখন তুঙ্গে। পোশাক থেকে শুরু করে গৃহস্থালীর বিভিন্ন জিনিসপত্র, সবকিছুর দোকানেই চোখে পড়ছে উপচে পড়া ভিড়। ছোট-বড় সবার মনেই নতুন পোশাকের আনন্দ। এই কেনাকাটা শুধু শহরের বড় বড় শপিং মলগুলোতেই নয়, বরং ফুটপাথের দোকানগুলোতেও সমানভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

 

নিরাপত্তার কড়া ব্যবস্থা

পূজার সময় মানুষের ভিড় সামাল দিতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনার জন্যেও তৈরি করা হয়েছে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, যাতে দর্শনার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরতে পারেন।

 

পূজা: মিলন ও সম্প্রীতির উৎসব

এই পূজাকে কেন্দ্র করে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই মেতে ওঠে এক অনাবিল আনন্দে। দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর, নতুন করে সম্পর্ক ঝালিয়ে নেওয়ার এবং সম্প্রীতি বজায় রাখার একটি অনন্য সুযোগ। সকলের এই আনন্দময় উৎসব শুভ হোক।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর