বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণই বিদ্যমান সংকট সমাধানের একমাত্র পন্থা : মঈন খান

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫
  • ২২৬ সময় দেখুন

ঢাকা, ২৪ মে ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): আজ শনিবার (২৪ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণই বিদ্যমান সংকট সমাধানের একমাত্র পন্থা।

 

মঈন খান বলেন, এই মুহূর্তে শুধু সরকার বা রাজনৈতিক দল নয়, দেশের গণমানুষকেও সচেতন থাকতে হবে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ঘটনা এবং ৫ আগস্টে দেশের যে পরিবর্তন এসেছিল, তার ৯ মাস পর দেশ এমন পরিস্থিতিতে এসে কীভাবে দাঁড়াল, আমি জানতে চাই।

 

তিনি বলেন, কিছু ঐতিহাসিক সত্য রয়েছে, যা কখনো অস্বীকার করা যাবে না। সময়ের বিবর্তনে হয়তো তার গুরুত্ব কমে যায়। ৭১-এর মতো ইতিহাসকে যারা অস্বীকার করতে চায়, তাদের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করা উচিত। আজকের যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তার সমাধান একটিই, আর তা হলো গণতান্ত্রিক উত্তরণ।

 

তিনি আরও বলেন, একটি কথা রয়েছে, তা হলো- গণতন্ত্র একটি খারাপ ব্যবস্থা। কিন্তু গণতন্ত্র ছাড়া আর বাকি সব ব্যবস্থা আরও অনেক বেশি খারাপ। এই সত্যটি উপলব্ধি করেই ৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ গণতন্ত্রের জন্য জীবন দিয়েছে।

 

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, গণতন্ত্রের প্রক্রিয়া সঠিকভাবে প্র্যাকটিস করা হলে দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে ৫ বছর জনগণের সামনে পরীক্ষা দিতে হবে। রাজনীতিবিদদের পরীক্ষা হলো নির্বাচন- সে নির্বাচনে যদি কারচুপি হয়, তাহলে সে পরীক্ষা থেকে বাদ। বলা হয় যে, অনেক নির্বাচনের মাধ্যমেও দেশ নাকি সঠিক পথে আসতে পারেনি। আমি বলতে চাই, বিগত ১৫ বছর দেশে কোনো নির্বাচনই হয়নি। দোষটা নির্বাচনের নয়- দোষটা তাদের, যারা নির্বাচনের আয়োজন করেছিলেন।

 

মঈন খান বলেন, বিশ্বের কোনো সংবিধানে কিন্তু খারাপ কথা লেখা থাকে না। দেশে ৭২ সালের পর ৭৫ সালে সংবিধানে একটি সেকশন যুক্ত করা হয়েছিল, যার ফলাফল ছিল বাকশাল। পরবর্তীকালে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সেসব ছুড়ে ফেলা দেওয়া হয়েছে।

 

সংগঠনের চেয়ারম্যান এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ মাসুমের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য দেন গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রমুখ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর