তিনি বলেন, যেখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে সেটা সরকার দেখবে, নির্বাচন কমিশন দেখবে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখবে। প্রতিবাদ জানানোর ভাষা প্রতিবাদের মতো হতে হবে, কিন্তু এগুলো নিয়ে উচ্ছৃঙ্খলতা সৃষ্টি করা যাবে না। কেউ যদি এগুলো ব্যবহার করে উচ্ছৃঙ্খলতা সৃষ্টি করতে চায় কিংবা রাজনৈতিকভাবে কেউ মাঠ উত্তপ্ত করতে চায় তাহলে আমরা হুঁশিয়ার করে দিচ্ছি, গণতন্ত্রের উত্তরণের প্রক্রিয়াকে যারাই বাধাগ্রস্ত করবে জনগণ তাদের অবশ্যই প্রত্যাখ্যান করবে। কারণ বাংলাদেশের মানুষ অধীর আগ্রহে গণতন্ত্রের উত্তরণের জন্য অপেক্ষা করছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি যে সমস্ত পরিকল্পনার কথা বলছে কেউ কেউ বলে সেগুলো নাকি অবাস্তব। অথচ বিএনপির অনেকবার রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে। বিএনপি জানে কীভাবে জনগণের জন্য পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয়। সে জন্য আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন আমাদের পরিকল্পনা আছে সেই পরিকল্পনা নিয়ে আমরা এগুচ্ছি।
জামায়াতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দলের নামের শেষে ইসলাম থাকলে তো ইসলাম হয়ে যায় না। এইরকম হলেতো যত নুরুল ইসলাম আছে সবাই ইসলাম হয়ে যেতো, এই সমস্ত ধোঁকাবাজি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। তারা এগুলো করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে।
তিনি আরও বলেন, জামায়াত যদি বলতো এই দেশের মানুষের জন্য তারা কি করবে? তারা যদি তাদের পরিকল্পনা কিংবা ইস্তেহার দিতো মানুষ পছন্দ করলে তাদেরকে ভোট দিতো। এটাই রাজনীতি ও এটাই গণতন্ত্রের চর্চা। অথচ তারা এগুলো না করে ধর্মের দোহাই দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।
এসময় ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল উল্লাহ নুরুর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী, বিএনপি নেতা শফিউল আলমসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply