রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন

বিএসএফ ও মেঘালয় পুলিশ হাদির হত্যাকারীদের সীমান্ত পার হওয়ার দাবি মানছে না

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৬৬ সময় দেখুন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান দুই সন্দেহভাজন আসামির ভারতে পালিয়ে যাওয়ার দাবি নাকচ করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) ও মেঘালয় পুলিশ। একই সঙ্গে ‘পূর্তি’ বা ‘সামি’ নামে কাউকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তারের তথ্যও অস্বীকার করেছে মেঘালয় পুলিশ।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস ও মেঘালয় মনিটর–এর খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে যে দাবি করা হয়েছিল— হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর শেখ ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতের মেঘালয়ে প্রবেশ করেছেন— তা ভিত্তিহীন।

 

মেঘালয় পুলিশ ও বিএসএফ জানিয়েছে, হালুয়াঘাট সেক্টর দিয়ে এই দুই ব্যক্তির সীমান্ত অতিক্রমের কোনো প্রমাণ তাদের কাছে নেই। বিএসএফের মেঘালয় ফ্রন্টিয়ারের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) ওপি উপাধ্যায় বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা তাদের নজরদারিতে ধরা পড়েনি। তিনি দাবি করেন, এ তথ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট।

 

এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, সন্দেহভাজন দুই আসামি হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে মেঘালয়ের পশ্চিম গারো পাহাড়ে প্রবেশ করেন। সেখানে ‘পূর্তি’ নামের একজন তাদের গ্রহণ করেন এবং ‘সামি’ নামের এক ট্যাক্সিচালক তাদের তুরা শহরে নিয়ে যান বলে তিনি উল্লেখ করেছিলেন।

 

তবে মেঘালয় মনিটরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেঘালয়ের পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিজিপি) ইদাশিশা নংরাং এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্যের কথা অস্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা হিন্দুস্তান টাইমস–কে জানান, ‘পূর্তি’ বা ‘সামি’ নামে কাউকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

 

মেঘালয় পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়নি। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়াই এই তথ্য প্রচার করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

 

যদিও এই অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মেঘালয় পুলিশ ও বিএসএফ। পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, এটি একটি নিয়মিত সতর্কতামূলক পদক্ষেপ, এর সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট দাবির সত্যতা প্রমাণের সম্পর্ক নেই।

 

উভয় সংস্থা জানিয়েছে, যাচাইকৃত ও আনুষ্ঠানিক তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতার জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর