বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ন

রংপুরের পীরগঞ্জে রাজনীতির নতুন মেরুকরণ : সৌহার্দ্য স্থাপনে বিরল দৃষ্টান্ত

আব্দুল্লাহীল কাফী মাসুম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-রংপুর
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৩ সময় দেখুন

আব্দুল্লাহীল কাফী মাসুম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-রংপুর, ০৩ নভেম্বর ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): আলিঙ্গনের রাজনীতিতে মানবিক দুই মেরুর দুই মুখের মধুর মিলনে নতুন মেরুকরণ। রংপুরের পীরগঞ্জে এক অনন্য দৃশ্যের জন্ম

রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতার মঞ্চ নয়—রাজনীতি মানে মানুষের প্রতি মমতা, শ্রদ্ধা আর সহমর্মিতার এক নির্মল প্রতিজ্ঞা। সেই প্রতিজ্ঞারই এক অনুপম উদাহরণ ঘটলো আজ রংপুরের পীরগঞ্জে।

 

চৈত্রের দুপুরে মাঠের বাতাসে যেন অন্যরকম এক আবেশ—দুই প্রান্তের রাজনীতির দুই ভিন্ন নেতা, দুই ভিন্ন মতের পথিক। কিন্তু যখন এক সত্যিকারের “মানুষের নেতা” মাটিতে পা রাখলেন, তখন ভেদাভেদ গলে গেল ভালোবাসার উষ্ণতায়।

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সদ্য ঘোষিত সংসদ সদস্য প্রার্থী সাইফুল ইসলাম, আর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সহকারী অধ্যাপক মাওলানা নুরুল আমীন—এক মুহূর্তে ভুলে গেলেন রাজনীতির সব সীমানা। জনতার চোখের সামনে তাঁরা পরস্পর পরস্পরকে নিবিড় আলিঙ্গন করলেন—যেন রাজনীতি থেমে গিয়ে মানবতার এক নীরব দৃষ্টান্ত স্থাপন হলো।

 

এই ছবিটি কেবল এক আলিঙ্গনের দৃশ্য নয়; এটি একটি প্রতীক—ভ্রাতৃত্বের, উদারতার, সম্মানের প্রতীক। যখন প্রতিপক্ষকে বুকে টেনে নেওয়া যায়, তখনই বোঝা যায়—রাজনীতি এখনো বেঁচে আছে মানুষের ভেতরে।

 

সাইফুল ইসলাম দেখিয়ে দিলেন, নেতৃত্ব মানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং ভালোবাসা ছড়ানোর নাম। আর মাওলানা নুরুল আমীনও ফিরিয়ে দিলেন সেই ভালোবাসা এক মৃদু হাসিতে—যা রাজনীতির উত্তপ্ত মাঠে যেন শীতল বাতাসের পরশ।

 

রাজনীতির তপ্ত মাঠে সেই দৃশ্য দেখে একজন প্রবীণ বলেছিলেন—  “আজ রাজনীতি নয়, মানবতার জয় দেখলাম আমরা।”

 

এই আলিঙ্গন হয়তো কোনো রাজনৈতিক ঘোষণাপত্র নয়—বরং এক মানবিক কবিতা, যেখানে দলমত ভুলে মানুষ মানুষকে জড়িয়ে ধরে, আর পৃথিবী বুঝে যায়, ভালোবাসাই রাজনীতির সবচেয়ে সুন্দর ভাষা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর