শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন

আবুল হোসেন মেমোরিয়াল প্রি-ক্যাডেট স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মানববন্ধন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩০৩ সময় দেখুন

মোঃ জিয়াউর রহমান জুয়েল মৃধা-জেলা প্রতিনিধি (পটুয়াখালী), ০২ আগষ্ট ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পটুয়াখালীর আবুল হোসেন মেমোরিয়াল প্রি-ক্যাডেট স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন।

 

শনিবার (২ আগস্ট) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এসময় শিশুরা হাতে ছিল নানা প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড, যার মধ্যে “আমরাও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ—আমাদের সুযোগ দাও”, “মেধা বাঁচাইয়ে বিভেদ নয়—সবার জন্য বৃত্তি চাই” এবং “বৃত্তি পরীক্ষা সবার জন্য উন্মুক্ত হোক”—এই বার্তাগুলো চোখে পড়ার মতো ছিল।

 

এসময় বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ মাসুদ শিকদার, অভিভাবক আফরোজ আক্তার রিনা, শিল্পী সরকার ও সাথী আক্তার, শিক্ষার্থী মোঃ রিফাত ও রিক্তা আক্তার বক্তব্য রাখেন।

তারা বলেন, দেশের প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি নির্মাণে কিন্ডারগার্টেনগুলোর অবদান অনস্বীকার্য। অথচ এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জাতীয় পর্যায়ের বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ থেকে বাদ দেওয়ার উদ্যোগ ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। তারা মনে করেন, এই সিদ্ধান্ত শুধু বৈষম্যমূলকই নয়, শিশুদের স্বপ্ন ও মনোবল ভেঙে দেওয়ার শামিল।

 

বক্তারা জানান, কিন্ডারগার্টেনের হাজার হাজার শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন ধরে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মেধার স্বাক্ষর রেখে আসছে। অনেক পরিবার এই পরীক্ষার ভিত্তিতে সন্তানদের শিক্ষাজীবনের জন্য উৎসাহ ও সহায়তা পেয়ে থাকে। এখন হঠাৎ করে তাদের বাদ দিলে প্রতিযোগিতা ও মূল্যায়নের জায়গা সংকুচিত হবে এবং শিক্ষার সুযোগ একক শ্রেণিতে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে।

 

অভিভাবকদের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রস্তুতি ও কঠোর পরিশ্রমের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। তারা বলেন, সরকারি-বেসরকারি ভেদাভেদ নয়, শিক্ষা হতে হবে সবার জন্য উন্মুক্ত। অন্যথায় প্রাথমিক পর্যায় থেকেই বৈষম্য গড়ে উঠবে।

 

শিক্ষার্থীদের মুখে ছিল আত্মবিশ্বাস আর ন্যায্য অধিকার ফিরে পাওয়ার আকুতি। অনেক শিক্ষার্থী জানিয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে বৃত্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখন তাদের অংশগ্রহণ বন্ধ হলে সেটি হবে একরকম অবিচার।

 

বক্তারা সরকারের কাছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সকল শিক্ষার্থীর জন্য উন্মুক্ত রাখার দাবি জানান এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিকট দ্রুত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর