বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন

রাঙামাটি বরকল উপজেলার ভূষণছড়া গণহত্যা বিচারের দাবিতে পিসিসিপি’র শোকসভা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫
  • ২২৭ সময় দেখুন

তপু বড়ুয়া-জেলা প্রতিনিধি (রাঙ্গামাটি),৩১ মে ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): “১৯৮৪ সালের ৩১ মে রাঙামাটি জেলার বরকল উপজেলার ভূষণছড়া ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার গণহত্যাসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে জেএসএস ও ইউপিডিএফ এর সন্ত্রাসী কর্তৃক সকল হত্যাকান্ডের বিচার ও প্রত্যাহারকৃত সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপনে সরকারের কাছে জোর দাবি জানান পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি)।

 

শনিবার (৩১ মে) দুপুরে নিহতের স্মরণে বক্তারা পার্বত্য এলাকায় শান্তি আনয়নের জন্য অবিলম্বে ভূষণছড়া গণহত্যাসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে জেএসএস ও ইউপিডিএফ এর সন্ত্রাসী কর্তৃক সকল হত্যাকান্ডের বিচার ও প্রত্যাহারকৃত সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপনে সরকারের কাছে জোর দাবি জানাই এবং ভূষণছড়া গনহত্যার সুষ্ঠ তদন্ত, খুনিদের বিচার ও ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি)।

 

পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের বরকল উপজেলা সভাপতি মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো: ঈসমাইল গাজী সঞ্চালনায় শোকসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য  মিনহাজ মুরশিদ। এছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোলায়মান, স্থানীয় সমাজ সেবক মো: জাকির, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো: সিদ্দিক ব্যপারি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক শাহ আলম সওদাগর, সমাজ সেবক সুলতান মন্ডল, মো: নজরুল, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জলিল মেম্বার, নাগরিক প্রতিনিধি মো: কামাল উদ্দিন, রাঙামাটি জেলা পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো: খলিলুর রহমান, কেন্দ্রীয় পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক পারভেজ মোশারফ হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন।

 

এসময় বক্তারা বলেন, ভূষণছড়া গণহত্যাসহ অসংখ্য বর্বরোচিত ঘটনার শিকার হয়েছে পার্বত্য অঞ্চলের বাঙালীরা।জেএসএসের সশস্ত্র শাখা শান্তি বাহিনীর সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হওয়া চার শতাধিক নীরিহ বাঙালি নারী-পুরুষকে নির্মমভাবে হত্যার পরবর্তী দীর্ঘ ৪১ বছরের বিচার পায়নি নিহতদের স্বজনরা।উল্টো পাহাড়ে প্রতিনিয়ত অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাধারণ পাহাড়ী ও বাঙালী উভয়ই এই সকল সন্ত্রাসীদের অব্যাহত হত্যা, চাঁদাবাজি ও নির্যাতনে অতিষ্ঠ। তাই পাহাড়ে কাঙ্খিত শান্তির সুবাতাস ফিরিয়ে আনতে পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানী, হত্যা, গুম,খুন, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে এখনই রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর