বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন

গাজীপুরের শ্রীপুরে সাপের কামড়ে ১ বৃদ্ধের মৃত্যু

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫
  • ২৫৩ সময় দেখুন

কবির আকন্দ-শ্রীপুর উপজেলা প্রতিনিধি (গাজীপুর), ২০ মে ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): আজ ২০ মে ২০২৫ মঙ্গলবার ভোর রাত ৩ ঘটিকায় বিষধর সাপের কামড়ে  আক্রান্ত হয়ে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় নিজ মাওনা ইউনিয়নে আব্দুল কুদ্দুস (৭০) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়।

 

জন্ম সূত্রে সে পাশ্ববর্তী ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালের কোনাবাড়ী নদীর পাড় গ্রামের বাসিন্দা ছিলো।তার পিতার নাম আবেদ আলী (মৃত)। এজন্য স্থানীয়রা তাকে ত্রিশাইল্লা বলে ডাকত।সে দীর্ঘদিন পূর্বে গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদারের দায়িত্ব পালন করেছিল। সেই জন্য সবাই তাকে ত্রিশাইল্লা চৌকিদার ডাকত। পরবর্তীতে সে দীর্ঘদিন যাবৎ নিজ মাওনা গ্রামে দিনমজুর ও লাকড়ি কাটার কাজ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করত। তার প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পরে সে আয়েশা নামের এক কন্যা সন্তানের  বিধবাকে বিয়ে করে।

 

পরবর্তীতে আয়েশার ঘরে আব্দুল কুদ্দুসের একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। সে আয়েশাকে নিয়ে আলালের বাড়িতে রায়েত থাকত।আলাল আবার স্থানীয় শাহু কোম্পানীর জায়গায়  ঘর তৈরী করে রায়েত থাকত।গত সপ্তাহে আয়েশা’র  সাথে তার বনাবনি না হওয়ায় আয়েশা তার কন্যা সন্তান নিয়ে তার আগের মেয়ের বাড়িতে চলে যায়।যার ফলশ্রুতিতে আলাল তার রয়াত বাড়ি থেকে আব্দুল কুদ্দুস কে বের করে দেয়। আব্দুল কুদ্দুস থাকার জায়গা না পেয়ে স্থানীয় রফিক নামের এক দোকানদারকে থাকার জায়গার দেওয়ার জন্য অনুরোধ করে। দোকানদার তার দোকানের বারান্দায় থাকার অনুমতি দেয়। দোকানের বারান্দায় কোনো চৌকি না থাকায় সে মাটিতে থাকত।তার শয়নের জায়গা বাহিরের মাঠের সমান হওয়ায় এবং বারান্দা টিনের বেড়া থাকায় রাতে ঘরে সাপ ডুকে তাকে ঘুমের মধ্যে দংশন করে।তার কান্নার শব্দ শুনতে পেয়ে স্থানীয়রা তাকে নিজ মাওনা বাজারের ঔষধ বিক্রেতা জানে আলমের ফার্মেসিতে ভোর রাত পাঁচটার দিকে দুইটি অ্যান্টিভেনাম পোষ করে। এরপর স্থানীয়রা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ  হাসপাতালে প্রেরণ করেন। কিন্তু সে পথে মধ্যেই মারা যায়।

 

নিউজ লেখা পর্যন্ত তার মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছে।

 

উল্লেখ্য যে সেই বিষধর সাপটি সে নিজেই লাঠি দিয়ে আঘাত করে মেরে ছিলো। দুটি এন্ট্রিভেনামের দাম ওষুধ বিক্রেতা জানে আলম ৭০০০ টাকা দাবি করেছিল। তারা ৩৫০০ টাকা পরিশোধ করেছিল।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর