মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন

নির্ধারিত সময়ে ৯৯% প্রকল্প হস্তান্তর করেছে আবাসন কোম্পানি শেলটেক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৬ সময় দেখুন

আবাসন খাতে দীর্ঘ ৩৮ বছরের পথচলায় নিজস্ব স্বকীয়তা ও পেশাদারত্বের পরিচয় দিয়ে আসছে শেলটেক। ১৯৮৮ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ৪ হাজার ৬৫০টির বেশি অ্যাপার্টমেন্ট ও বাণিজ্যিক স্পেস ক্রেতাদের বুঝিয়ে দিয়েছে। তাদের কাজের বড় একটি সাফল্যের জায়গা হলো প্রকল্পের সময়ানুবর্তিতা; শেলটেকের তথ্যমতে, তাদের ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই হস্তান্তর করা হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানের কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন। এর মধ্যে ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ প্রকল্প ‘সময়মতো’ হস্তান্তরকে প্রতিষ্ঠানটি ‘সবচেয়ে বড় অর্জন’ হিসেবে দেখছে। ১৯৮৮ সালে যাত্রা শুরুর করা প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, প্রতিটি প্রকল্পে স্থায়ী মূল্য, দায়িত্বশীল উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটানোই তাদের চেষ্টা। পাশাপাশি সাশ্রয়ী আবাসনের উদ্যোগও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। কর্মকর্তারা বলছেন, এত বছরে তাঁদের সবচেয়ে ‘বড় প্রাপ্তি’ গ্রাহক ও জনগোষ্ঠীর দীর্ঘস্থায়ী আস্থা।

কাজের এই ধারাবাহিকতা ও মান ব্যবস্থাপনার স্বীকৃতি হিসেবে শেলটেক আইএসও ৯০০১:২০১৫ সনদ অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কেবল ভবন নির্মাণই তাদের লক্ষ্য নয়, বরং দায়িত্বশীল উন্নয়ন ও মানুষের আস্থার জায়গাটি সুদৃঢ় করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। গ্রিন ডিজাইন ও পরিবেশবান্ধব আবাসন নীতি অনুসরণ করে তারা ভবিষ্যতে নগরজীবনের মান উন্নয়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চায়। অঙ্গীকার ও পেশাদারত্বে ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি মান ব্যবস্থাপনায় আইএসও ৯০০১:২০১৫ সনদও অর্জন করেছে। তাদের লক্ষ্য, এমন প্রকল্প গড়ে তোলা, যা উন্নততর শহর, শক্তিশালী কমিউনিটি ও টেকসই নগর ভবিষ্যতে ভূমিকা রাখবে।

শেলটেকের বর্তমান প্রকল্পের তালিকায় বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিংয়ে ৮১ কাঠার বেশি জমিতে নির্মিত হচ্ছে ‘শেলটেক উইন্ডফ্লাওয়ার’ কন্ডোমিনিয়াম। ১৯২টি অ্যাপার্টমেন্ট সংবলিত এই প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মার্চ মাসে ক্রেতাদের কাছে হস্তান্তরের লক্ষ্য রয়েছে। এছাড়া তেজগাঁওয়ের লাভ রোডে ১৪ তলা বিশিষ্ট ‘ভিঞ্চিয়া শেলটেক টাওয়ার’ নির্মাণের কাজ চলমান, যা ২০২৯ সালের ডিসেম্বরে সম্পন্ন হওয়ার কথা। বাণিজ্যিক এই টাওয়ারটি আধুনিক অফিস ও প্রযুক্তিগত সব সুবিধা নিয়ে সাজানো হচ্ছে।

আবাসন ও বাণিজ্যিক প্রকল্পের বিস্তৃতি শুধুমাত্র রাজধানীর কিছু এলাকাতেই সীমাবদ্ধ নেই। ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী, উত্তরা, বসুন্ধরা ও বারিধারা ডিওএইচএসসহ ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তাদের প্রকল্প রয়েছে। একইসাথে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও দক্ষিণ খুলশীতেও তাদের কার্যক্রম বিস্তৃত। এর বাইরে বনশ্রীতে ১৭ তলা ‘শেলটেক লিগ্যাসি প্লাজা’ শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণ এবং জলসিঁড়ি আবাসন এলাকায় ২১টি প্রকল্পের কাজ বর্তমানে এগিয়ে চলছে। প্রতিটি প্রকল্পের নকশা, আয়তন ও সুযোগ-সুবিধা অনুযায়ী মূল্য ও পরিশোধ পদ্ধতি নির্ধারিত হয়, যা মূলত গ্রাহকের প্রয়োজন ও আস্থার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে ওঠে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর