মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন

গোপনে ১৭ লাখ ডলার পারিশ্রমিক নেওয়ার অভিযোগ ফিফা সভাপতির

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২২ সময় দেখুন

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ২০২৪ সালে ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থা থেকে অতিরিক্ত ১৭ লাখ ২০ হাজার ডলার পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ‘এফডব্লিউসি২০২৬’-এর করসংক্রান্ত নথি থেকে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ফিফা সভাপতি হিসেবে নিয়মিত বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বাইরে তিনি এই বড় অঙ্কের অর্থ গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব পরিষেবার (আইআরএস) নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস। এর আগে বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্ব ও বাইরের বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ নিয়ে তাঁর একটি পরিকল্পনা ঘিরেও সমালোচনা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়েও ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে।

২০২৪ সালের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিফা থেকে ইনফান্তিনো মোট ৪২ লাখ ৭৪ হাজার সুইস ফ্রাঁ গ্রহণ করেছেন, যা মার্কিন ডলারে প্রায় ৪৮ লাখ ৬০ হাজার ডলারের সমান। এই বিশাল অংকের সাথে নতুন করে সামনে আসা ১৭ লাখ ২০ হাজার ডলার যুক্ত হলে তার আয়ের উৎস নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ফিফার গঠনতন্ত্রের ৪৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংস্থার সভাপতি, মহাসচিব এবং কাউন্সিলের সদস্যদের পারিশ্রমিক নির্ধারণ ও তা স্বচ্ছভাবে জনসমক্ষে প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। ফিফার সাবেক গভর্ন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান মিগেল মাদুরো গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যদি ফিফার সাথে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে সভাপতি ব্যক্তিগতভাবে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করেন এবং তা সঠিকভাবে প্রকাশ করা না হয়, তবে তা সরাসরি সংস্থার বিধির গুরুতর লঙ্ঘন হতে পারে। ফিফার সংবিধির ৪৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সভাপতি, কাউন্সিলের সদস্য ও মহাসচিবের পারিশ্রমিক নির্ধারণের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পারিশ্রমিকের তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হয়। তবে এই অর্থের তথ্য ফিফার ওই বছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। ইনফান্তিনোকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে এই অতিরিক্ত পারিশ্রমিকের বিষয়টি।

তবে ফিফা কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। সংস্থাটির মুখপাত্র ইএসপিএনকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ফিফা সব ধরনের আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রাখে এবং প্রতিবেদন দাখিলের আইনি বাধ্যবাধকতা কঠোরভাবে মেনে চলে। একইসাথে, সংস্থাটি ফিফার সংবিধি লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও দাবি করেছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর