অনলাইন ডেস্ক, ১০ অক্টোবর ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি। তবে রোজা শুরুর বিষয়টি শেষ পর্যন্ত চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ওপরই নির্ভর করবে। আমিরাত অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং আরব ইউনিয়ন ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড স্পেস সায়েন্সেসের সদস্য ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, শনিবার সূর্যাস্তের পর নতুন চাঁদের জন্ম হচ্ছে। দেশটির জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এরপর চাঁদ ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে একসময় অদৃশ্য হয়ে যায়।
‘আল খালিজ’ পত্রিকার তথ্যমতে, রোববার সন্ধ্যায় খালি চোখে নতুন চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি নিশ্চিত হলে ১২ অক্টোবর থেকে হিজরি ১৪৪৮ সালের জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু হবে। এই মাস শুরু হওয়ার অর্থ হলো রমজান আসতে আর মাত্র চারটি চন্দ্র মাস বাকি থাকবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের রমজান ২৯ অথবা ৩০ দিনের হতে পারে। সেই হিসেবে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে ৯ মার্চ অথবা ১০ মার্চ।
ইসলামি চন্দ্রবর্ষের বিশেষত্ব তুলে ধরে আল জারওয়ান বলেন, কোনো জটিল হিসাব বা আধুনিক যন্ত্রপাতি ছাড়াই চাঁদের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে মাসের অগ্রগতি বোঝা সম্ভব। চাঁদের আকৃতি ও দৃশ্যমান পরিবর্তনের মাধ্যমেই নতুন মাসের শুরু, অর্ধচন্দ্র এবং পূর্ণিমা শনাক্ত করা যায়। চান্দ্র ক্যালেন্ডার বা ইসলামি বর্ষপঞ্জি মূলত এই প্রাকৃতিক পর্যায়গুলোর ওপরই নির্ভরশীল।
এদিকে, শারজাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন শারজাহ স্পেস অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোনমি হাব চাঁদ দেখা নিয়ে ভিন্নমত দিয়েছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর সূর্যাস্তের পর সাধারণ খালি চোখে কিংবা টেলিস্কোপে জমাদিউল আউয়ালের চাঁদ দেখা কঠিন হতে পারে। তবে উন্নত অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফি প্রযুক্তি ব্যবহার করলে সূর্যাস্তের আগেই চাঁদ শনাক্ত করা সম্ভব। প্রতিষ্ঠানটির মতে, যারা জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব মেনে চলে, তাদের জন্য ১২ অক্টোবর সোমবার থেকে মাসটি শুরু হতে পারে। অন্যদিকে, যারা খালি চোখে বা অপটিক্যাল টেলিস্কোপে চাঁদ দেখা বাধ্যতামূলক মনে করে, সেসব দেশে ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার থেকে মাসটি গণনা শুরু হতে পারে।
Leave a Reply