বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন

রংপুরের পীরগঞ্জে শিক্ষিকার কান্ড : একই সময়ে দ্বৈত চাকুরী

আব্দুল্লাহীল কাফী মাসুম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-রংপুর
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৪ সময় দেখুন

আব্দুল্লাহীল কাফী মাসুম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-রংপুর, ২০ নভেম্বর ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): রংপুরের পীরগঞ্জে এমপিওভুক্ত শিক্ষিকা কনা আক্তার তথ্য গোপন করে ৬’শ কিলোমিটার দুরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই সময়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর, পৃথক ইনডেক্স নম্বরে এমপিওভুক্ত হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। উপজেলার রসুলপুর মাহতাবিয়া দ্বি-মূখী স্কুল এন্ড কলেজের ওই শিক্ষিকা কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার একটি মাদরাসায় প্রভাষক (বাংলা) হিসেবে চাকুরী করছেন।

 

অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, পীরগঞ্জের রসুলপুর মাহতাবিয়া দ্বি-মুখী স্কুল এন্ড কলেজে  সহকারী শিক্ষিকা (বাংলা) পদে কনা আক্তার ২০১৫ সালের ৯ মে যোগদান করে ১১৩৬৭৯৭ নং ইনডেক্সে এমপিওভুক্ত হন। এরপর তিনি ১ অক্টোবর/২০২৩ ইং ‘এনটিআরসি’ এর প্রভাষক (বাংলা) হিসেবে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মৌলভী বাজার ফারুকিয়া সিনিয়র আলিম মাদরাসায় যোগদান করে গ০০৫৩৭২৯ নং ইনডেক্সে এমপিওভুক্ত হন। তিনি তথ্য গোপন করে তাঁর পূর্বের প্রতিষ্ঠানে ইস্তফা না দিয়ে উল্লেখিত দুটি প্রতিষ্ঠানেই একই সময়ে শিক্ষক হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অপরদিকে ওই শিক্ষিকা প্রায় সাড়ে ৪ মাস পর ২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী তার পূর্বের কর্মস্থল থেকে ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানা যায়।

 

ওই ঘটনায়  উক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে রসুলপুর মাহতাবিয়া দ্বি-মূখী স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান পীরগঞ্জে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

 

অভিযোগকারী শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ওই শিক্ষিকা তথ্য গোপন করে অন্য প্রতিষ্ঠানে যোগদান করায় তার প্রতারণার  অভিযোগ করেছি।

 

শিক্ষিকা কনা আক্তার বলেছেন, পৃথক ইনডেক্সে এমপিও হলেও আমি শুধু একটি প্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি অংশের বেতনভাতা উত্তোলন করেছি। পীরগঞ্জ থেকে প্রায় ৬’শ কিলোমিটার দুরে চাকুরী করায় ইস্তফা দিতে দেরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমি একজন মহিলা মানুষ। আমাকে অন্যায়ভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। রসুলপুর মাহতাবিয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবেদুল ইসলাম জানান, তথ্য গোপন করায় কনা আক্তারের বিরুদ্ধে একজন শিক্ষক অভিযোগ করেছেন। তদন্তের আলোকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর