নানা অভিযোগ ‍তুলে মাস দুয়েক আগে অভিনেতা ও শিল্পী সমিতির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৯টি সংগঠন। তবে সম্প্রতি সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে কাজে ফেরার অনুমতি চেয়েছেন খল অভিনেতা মিশা। চলচ্চিত্রের সংগঠনগুলোও চায় যে, মিশা কাজে ফিরুক। তবে এ ক্ষেত্রে তাকে কিছু শর্ত মানতে হবে। তবেই মিলবে অনুমতি।

শর্তগুলো হচ্ছে, চলচ্চিত্রের স্বার্থে ১৯ সংগঠনের নীতিমালা মেনে কাজ করতে হবে। শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের অনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করা যাবে না। মিশা সওদাগর যে ১৯ সংগঠনের নীতিমালা মেনে কাজ করছেন, তা শিল্পী সমিতির সকল সদস্যকে লিখিতভাবে জানিয়ে দিতে হবে। এছাড়া অন্যায়ভাবে শিল্পী সমিতির ভোটাধিকার খর্ব করা ১৮৪ জন শিল্পীর ভোটাধিকার আবার ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রযোজক ও প্রদর্শক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম বলেন, ‘মিশা সওদাগর একজন পেশাদার শিল্পী। তিনি তার ভুল বুঝতে পেরে ১৯ সংগঠনের সঙ্গে একাত্ব হয়ে কাজে ফিরতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। নিষেধাজ্ঞার কারণে মিশার সঙ্গে অন্যান্য অনেক শিল্পীই কাজ করতে পারছে না। তাই সবকিছু বিবেচনা করে মিমাংসার জন্য তাকে শর্ত দেয়া হয়েছে। শর্তগুলো মানলেই আগামী মিটিংয়ে তার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে।’

গত ১৫ জুলাই মিশা সওদাগর ও জায়েদ খানকে বয়কট করে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৯টি সংগঠন। চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট কোনো অনুষ্ঠানে জায়েদ-মিশাকে কেউ আমন্ত্রণ জানাতে পারবেন না এবং তারাও কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানানো হয়। তাদের যে আমন্ত্রণ করবেন, তাকেও একঘরে করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।

শিল্পী সমিতির দুই নেতা জায়েদ খান ও মিশা সওদাগরের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, জায়েদ চলচ্চিত্রের উন্নয়নে কাজ না করে ব্যক্তি স্বার্থে সবখানে নিজের পরিচয় ব্যবহার করেন। আর সংগঠনটির সভাপতি মিশা সেসব অনৈতিক কাজে জায়েদকে সমর্থন করেন। তবে এখন এই খল অভিনেতা ১৯ সংগঠনের শর্ত মেনে কাজে ফেরেন কিনা, সেটাই দেখার।