আব্দুল্লাহীল কাফী মাসুম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-রংপুর, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ৬ নং টুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এলাকটি বনাঞ্চল হিসেবে পরিচিত। ইউনিয়নে বিস্তর বনাঞ্চল থাকায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র প্রতিদিন গাছ কেটে সাবাড় করে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বনাঞ্চলের পাশাপাশি ওই চক্রটি রাতের আঁধারে রাস্তার সরকারি গাছ কেটেও বিক্রি করে বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে চুরি করা গাছ বিক্রির টাকার একটি মোটা অংক ইউপি চেয়ারম্যান পেয়ে থাকেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বিষয়টি সঠিক নয় বলে এ প্রতিবেদককে জানান। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, ইউনিয়নের বটপাড়া গ্রামের আজিজুল ইসলামের পুত্র ইমন মিয়া, রোস্তম আলীর পুত্র মো. রাজু মিয়া, দুধিয়াবাড়ি গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের পুত্র নুরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ৮/১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র এর সাথে জড়িত। খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে, ওই সংঘবদ্ধ দলটি সরকার দলীয় স্থানীয় রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছে। সে কারণে চেয়ারম্যানের সাথে যোগসাজসে ওই অপকর্মগুলি করে প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে চলার অভিযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি একটি গাছের গোলাই আটক করে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে রাখা হয়,পরে সেটি চেয়ারম্যানের ভাতিজা মিলন মিয়া ছ’মিলে ফাঁড়াইয়ের উদ্দেশ্যে নিয়ে গেলে স্থানীয়দের বাঁধার মুখে তা আবার ফেরৎ নিয়ে যথাস্থানে রাখা হয়।
ইউনিয়ন পরিষদের একটি সেমিপাকা ঘরের টিন, কাঠ ও দরজা-জানালা খুলে নিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যান আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে। কোন রকম দরপত্র ছাড়াই ওই অবকাঠামো বিক্রয় করে আত্মসাতের অভিযোগ সংশ্লিষ্ঠ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। এব্যাপারে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন, “ওই ঘরটিতের উন্নয়ন বরাদ্দ নিয়ে সংস্কার করে পরিষদের গোডাউন করার চেস্টা করা হয়েছিল, সরকার পরিবর্তনের কারণে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।” অবকাঠামোর কাঠ,টিন,দরজা-জানালা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই সব নাকি ঝড়ে উড়ে গেছে। এলাকাবাসী জানান, সুষ্ঠু তদন্ত হলে ঘটনার সত্যতা বেরিয়ে আসবে বলে দাবি করেন তাঁরা।