আব্দুল্লাহীল কাফী মাসুম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-রংপুর, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): সাধারণ মাইক বা লাউডস্পিকারের শব্দের তীব্রতা সাধারণত ৬০ থেকে ১০০ ডেসিবেল (dB) পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অনেক দেশে বা এলাকায় (যেমন নির্বাচন বা প্রচারণায়) এটি ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার নিয়ম রয়েছে, যদিও বাস্তবে অনেক সময় মাইক ১০০ ডেসিবেল বা তার চেয়েও বেশি তীব্রতায় বাজানো হয়।
সম্প্রতি রংপুরের পীরগঞ্জ পৌর সভায় বিভিন্ন মোবাইল ফোন কোম্পানীগুলির বিভিন্ন অফার দিয়ে প্রতিদিন কয়েকটি মাইকের প্রচারণার তীব্র উচ্চ শব্দে অতিষ্ঠ নগরবাসী। একদিকে লাউড স্পীকারে মাইক বাজানোয় শব্দ দূষণ,অন্যদিকে একের পর এক মাইকের ঘুরে ফিরে একই বর্ণনার শব্দে বিরক্ত পৌরবাসী। যে যেভাবে পারে ওইসব মাইকে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন,দেখার কেউ নেই। এ ছাড়াও পীরগঞ্জ পৌরসভায় ৮/১০ টি স্থানে গরু জবাই হলেও শুধুমাত্র জামতলার একটি কসাইখানার রোজকার মাইকের শব্দে বিরক্ত সাধারণ মানুষ। উচ্চস্বরে মাংস বিক্রেতার মাইকের প্রচার চলে সকাল আটটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত।কেউ নিষেধ না করায় ইদানীং প্রচারের শব্দ ১০০ ডেসিবেলের অনেক বেশী জোরে শব্দ দূষণ করা হচ্ছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন মাহফিলের মাইকিং এতই উচ্চস্বরে বাজানো হয়, কান ঝালাপালা হয়ে যায়।
বাজার ব্যবসায়ী গৌতম কুমার সাহা জানান, ” ইদানীং মাইকের অতিরিক্ত শব্দে গ্রাহকদের সাথে কথা বলা দূষ্কর হয়ে পড়েছে।” কান ঝালাপালা করা শব্দ দূষণে অতিষ্ঠ হলেও প্রতিবাদের কোন জায়গা নেই,জানালেন অপর এক ব্যাবসায়ী আলতাফ হোসেন। এ ব্যাপারে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ। বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সমাধানের আশা প্রকাশ করেন পৌরবাসী।