মানিক পশারীর মৃত্যু, তার দাফন প্রক্রিয়া এবং মুক্তিযোদ্ধা সনদের সত্যতা যাচাই করতে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এসব বিষয় নিয়ে যেসব প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলোর প্রেক্ষিতেই মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের বিভিন্ন অভিযোগ ও উত্থাপিত প্রশ্নের পেছনে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করাই এই কমিটির মূল লক্ষ্য।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠভাবে পুরো বিষয়টি তদন্ত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে কমিটিকে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। মন্ত্রণালয়ের দাবি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মর্যাদা সমুন্নত রাখার অংশ হিসেবে তারা তালিকা থেকে অমুক্তিযোদ্ধাদের নাম বাদ দেওয়ার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে কোনো প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সম্মান বা মর্যাদা যাতে ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আদর্শের ওপর জোর দিয়েছে মন্ত্রণালয়। তারা জানিয়েছে, মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান রক্ষায় তারা নিরলস কাজ করছে। একই সঙ্গে কোনো জালিয়াত চক্র বা ব্যক্তি যাতে রাষ্ট্রকে বিভ্রান্ত করতে বা মুক্তিযুদ্ধের স্রষ্টাদের নাম ব্যবহার করে কোনো ধরনের সংকট সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য কঠোর সজাগ দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।