জাহাঙ্গীর হোসেন-জেলা প্রতিনিধি (পাবনা), ১৯ অক্টোবর ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): পাবনার সুজানগর উপজেলার শীর্ষ ফেন্সিডিল , ইয়াবা ডিলার এবং ইয়াবা সেবী ও অস্ত্র ব্যবসায়ী সাবেক কাউন্সিলর জায়দুল হক জনি কে রোববার গভীর রাতে পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে জানা গেছে। বাবার ভুয়া যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার সনদ দেখিয়ে পিস্তল ও সট সাইন্সেস করার পর থেকেই জনি অবৈধ অস্ত্র বেচাকেনার সাথে যুক্ত হয়ে পড়ে। পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক হয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রভাব বিস্তার করে এলাকায় ফেন্সিডিল , ইয়াবা ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে পৌরসভার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়। কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি প্রকাশ্যে ফেন্সিডিল , ইয়াবা ব্যবসার ডিলার ও অস্ত্র বেচাকেনার সাথে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করতো।

ইতি পূর্বে অবৈধ অস্ত্র সহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। কাউন্সিলর জায়দুল হক জনির অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে এলাকার অনেক নিরীহ মানুষ। এই অত্যাচার নির্যাতন থেকে রক্ষা পায়নি তার চাচাতো ভাই পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও উপজেলা কৃষক দল নেতা আনিসুর রহমান খোকন সহ একাধিক ব্যক্তি। এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে ভবানীপুর ফরেষ্ট অফিসের সামনের রাস্তা থেকে বেশকিছু সরকারি গাছ কেটেছে নিয়েছে। কাচারী পাড়া সরকারী জায়গা দখল করে ঘর তুলে সেখানে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টানিয়ে ফেন্সিডিল , ইয়াবা ব্যবসা ও সেবনের আস্তানা গড়েছিল। দীর্ঘ দিন ধরে জোর করে বান্নাই খাল দখল করে মাছ চাষ করে যাচ্ছে। ইতিপূর্বে একাধিকবার দিনের বেলায় প্রকাশ্যে পিস্তল ও সট গান প্রদর্শন করে ভবানীপুর ফরেষ্ট অফিস মোড়ে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। শালিস দরবার করে অন্যায়ভাবে জুলুম করে টাকা খেয়ে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করেছে।

তার ভয়ে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করতো, ভয়ে কেউ মুখ খুলতো না। নিরীহ মানুষদের বিপদে ফেলে ফায়দা হাসিল করতো। ভয়ংকর এই সন্ত্রাসী এবং ফেন্সিডিল , ইয়াবা ও অস্ত্র ব্যবসায়ী কারণে এলাকার যুবকেরা ইয়াবার মতো মরণ ফাঁদে জড়িয়ে পড়েছে। একাধিক সূত্রে জানা যায়,জনি ফেন্সিডিল , ইয়াবা বিক্রি করতো এবং কিভাবে ইয়াবা খেতে হয়, সেই প্রশিক্ষণ ও দিতো। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ও এলাকায় থেকেই বান্নাই খালে মাছ চাষ করে আসছে এবং বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে নিয়মিত সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এই জনি এক সময়ে প্রকাশ্যে ফেন্সিডিল ও ইয়াবা খেয়ে এলাকার মানুষ দের মারপিট করেছে। শালিস দরবার করে অন্যায়ভাবে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করে অনেক নিরীহ মানুষের হয়রানি করেছে। তার এলাকায় তার নেশার টাকা না দিলে কেউ কোন কাজ করতে পারতো না। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনেক অপকর্ম করে দল থেকে বহিষ্কার হয়েছিল। তবুও থেমে যায়নি, ভুয়া যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলে প্রভাব বিস্তার করতো। শীর্ষ ফেন্সিডিল এবং ইয়াবা ডিলার ও অস্ত্র বেচাকেনার মুল হোতা গ্রেফতার হওয়াতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসবে বলে মনে করেন সাধারণ মানুষ।