দেশের আবাসন ও বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ শিল্পে গত দুই দশকে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এই রূপান্তরের পেছনে অন্যতম বড় নাম শান্তা হোল্ডিংস লিমিটেড। ২০০৫ সালে খন্দকার মনির উদ্দিনের হাত ধরে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি এখন উন্নত আধুনিক আইকনিক স্থাপত্যের জন্য সুপরিচিত। আকাশচুম্বী ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটি বেশ কিছু রেকর্ড গড়েছে। এই পরিবর্তনের অগ্রভাগে বেশ মজবুত অবস্থানে আছে শান্তা হোল্ডিংস লিমিটেড। দেশের আকাশরেখায় সর্বোচ্চ উঁচু ভবন তৈরি করে রেকর্ড গড়ছে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে কোম্পানিটি এখন পর্যন্ত ৫৭টি আবাসিক প্রকল্প এবং ১ কোটি ১০ লাখ বর্গফুট আয়তনের ৭টি দৃষ্টিনন্দন বাণিজ্যিক ভবন হস্তান্তর করেছে। এর মধ্যে পরীবাগের ১৫০ ফ্ল্যাটের ‘দিগন্ত’ দেশের অন্যতম পূর্ণাঙ্গ আবাসিক কন্ডোমিয়াম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এছাড়া তেজগাঁও লিংক রোডের ‘শান্তা ওয়েস্টার্ন টাওয়ার’ সেই সময়ে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক বাণিজ্যিক ভবন হিসেবে সবার নজর কেড়েছিল। বর্তমানে গুলশান, বারিধারা, বসুন্ধরা, বনানী, ধানমন্ডি ও মিরপুর এলাকায় ৩৫টি আবাসিক প্রকল্প, যেখানে প্রায় ২৬০০টি ফ্ল্যাট রয়েছে এবং ৮টি বাণিজ্যিক প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। এর মধ্যে তেজগাঁওয়ে নির্মাণাধীন ‘শান্তা পিনাকল’ দেশের প্রথম ৪০ তলা সুউচ্চ ভবন হতে যাচ্ছে, যা চলতি বছরই হস্তান্তর করা হবে। বর্তমানে ঢাকার গুলশান, বারিধারা, বসুন্ধরা, বনানী, ধানমন্ডি ও মিরপুর এলাকায় প্রতিষ্ঠানটির ৩৫টি আধুনিক আবাসিক (প্রায় ২৬০০ ফ্ল্যাট) এবং ৮টি বাণিজ্যিক প্রকল্পের নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে চলমান।

শান্তা হোল্ডিংসের প্রধান বিক্রয় কর্মকর্তা শিহাব আহমেদ জানান, তাদের মূল লক্ষ্য ছিল নিউ ইয়র্ক বা লন্ডনের মতো উন্নত শহরের আদলে আন্তর্জাতিক মানের নাগরিক জীবনযাত্রা এবং আধুনিক বিজনেস সেন্টার তৈরি করা। তিনি আরও বলেন, তাদের প্রতিটি প্রকল্প বিশ্বমানের প্রযুক্তি যেমন ৪২ মিলিমিটারের বিশেষ শক্ত গ্লাস, সেন্ট্রাল বিএমএস রুম, বিআইএম সফটওয়্যার এবং উন্নত অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে নির্মিত হচ্ছে। এর ফলে গ্রাহকদের বিনিয়োগ যেমন লাভজনক, তেমনি দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ থাকে। বিশ্বের উন্নত শহর নিউইয়র্ক বা লন্ডনের স্কাইলাইনের মতো দৃষ্টিনন্দন আন্তর্জাতিক অবকাঠামো দিয়ে ঢাকাকে চমৎকারভাবে সাজানোই আমাদের মূল স্বপ্ন ছিল। বাণিজ্যিক প্রপার্টিতে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ও আকর্ষণীয় রেন্টাল রিটার্ন থাকায় গ্রাহকদের মূল্যবান বিনিয়োগ অত্যন্ত লাভজনক ও নিরাপদ।’।

মান ও নান্দনিকতার স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৮ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি টানা চারবার ‘সুপারব্র্যান্ডস’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। এছাড়া ২০২৪ সালে কোম্পানিটি ‘এশিয়া প্যাসিফিক প্রপার্টি অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘ইএসএসএবি সেফটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’-এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে শিক্ষা বিস্তারে বৃত্তি প্রদান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং পিছিয়ে পড়া এলাকার বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও গৃহহীনদের জন্য আবাসন তৈরির কাজও করে আসছে।