আব্দুল্লাহীল কাফী মাসুম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-রংপুর, ১১ আগষ্ট ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি অনিয়মকে নিয়ম করেই চলছে। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চিকিৎসক ও কর্তব্যরত নার্স এবং ওয়ার্ডবয়,আয়াদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। জরুরি বিভাগ সহ ইনডোর আউটডোর সর্বক্ষেত্রেই চিকিৎসায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলার পৌরসভার পঁচাকান্দর গ্রামের একটি সন্ত্রাসী হামলার শিকার মোছা. নুরজাহান বেগম ১০/০৮/২০২৬ খ্রি. সকাল ১১ টায় জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই রোগীর মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ক্ষতস্থানে তড়িঘড়ি করে ২০টি সেলাই দিয়ে ক্ষতস্থান উন্মুক্ত রেখেই মহিলা ওয়ার্ডের ১৩ নং বেডে পাঠিয়ে দেন। ওই ঘটনায় বাদী হয়ে নুরজাহানের ছেলে মো. নুরুল ইসলাম থানায় এজাহার করেন। ঘটনার তথ্য সংগ্রহের জন্য রাত ০৯:০০ টায় এ প্রতিবেদক হাসপাতালে গিয়ে দেখতে পান, আহত নুরজাহান বেগমের ক্ষতস্থানটি এলোমেলো চুলে ঢেকে আছে। সেখানে কোন নিরাপত্তাজনিত ব্যান্ডেজ পর্যন্ত করা হয়নি।
ফলে, যে কোন মুহূর্তেই ইনফেকশন হয়ে ঘটতে অপ্রীতিকর ঘটনা। এ ব্যাপারে ওই ওয়ার্ডে কর্তব্যরত নার্সকে বিষয়টি অবহিত করলে কোন সন্তোষজনক জবাব পাওয়া যায়নি। পরে জরুরি বিভাগে গিয়ে বিষয়টি কর্তব্যরত চিকিৎসককে জানালে, ডা. সাবরিনা নুসরাত জাহান মৌ জানালেন, ওই সময়ে দায়িত্বরত চিকিৎসক কেন ক্ষতস্থানটি উন্মুক্ত রেখেছেন তা জানা যায়নি। তবে, এক্ষুনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানালেন ডা. সাবরিনা নুসরাত জাহান মৌ।

ভবিষ্যতে এমন কোন প্রকার গুরুতর অনিয়ম যাতে না ঘটে সে ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখা হবে বলেও জানান ওই কর্তব্যরত চিকিৎক। ছবিটি রাত ৯ টায় ধারণকৃত।