আব্দুল্লাহীল কাফী মাসুম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-রংপুর, ০২ জুলাই ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় অর্থবছর ২০২৫-২৬ নির্বাচনী এলাকা ভিত্তিক প্রথম পর্যায়ে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচির বরাদ্দ বাস্তবায়নে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার তুলারামপুর উত্তরপাড়ায় দু’টি প্রকল্পের কাজের বাস্তবায়নের ব্যাপারে এলাকাবাসী অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ করেন। একটিতে দশ মেট্রিক টন ও অপরটিতে আট মেট্রিক টন চাল বরাদ্দের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ইয়াকুব আলী সংসদ সদস্য মাওলানা নুরুল আমীন এর ভগ্নিপতি এবং অপর প্রকল্পের সভাপতি আপন ভাগিনা মো. সালমান শরীফ। ইয়াকুব আলীর বাড়ি হতে ১৭৯ ফুট দৈর্ঘ্য ৮ ফুট প্রস্থ সলিং রাস্তা নির্মাণ এবং ওই গ্রামের একটি জামে মসজিদ সংস্কারে বরাদ্দ থাকলেও তা একটি ওয়াক্তিয়া ঘর নির্মাণ কাজে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বরাদ্দ ভিন্নখাতে ও নিজ আত্মীয়কে প্রকল্প সভাপতি নিযুক্ত করায় গ্রামবসী বিভক্ত হয়ে পড়ে বলে জানা যায়। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার এক পর্যায়ে গ্রামবাসীর একটি অংশ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। গ্রামবাসী জানান, আমরা সর্বসম্মতিক্রমে প্রকল্প বাস্তবায়নে যোগ্য সভাপতি নির্বাচন করে উন্নয়ন বরাদ্দের শতভাগ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করেছি। কোন দূর্নীতির আশ্রয় না নিয়ে প্রকল্প দু’টির কাজ শেষ পর্যায়ে বলেও তারা জানান। সংবাদ সম্মেলনে পীরগঞ্জ থেকে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব ও প্রেস ক্লাবের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া কর্মী, রংপুর থেকে আগত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া কর্মী সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ছাত্র শিবিরের পীরগঞ্জ উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি মো. মোজাহিদুল ইসলাম। গ্রামবাসী জানান, তুলারামপুর উত্তরপাড়া গ্রামটি একটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল। এ অঞ্চলের উন্নয়নে এমপি মহোদয়ের উন্নয়ন বরাদ্দের শতভাগ বাস্তবায়নে ইয়াকুব আলী একজন যোগ্য ব্যক্তি,আমদের সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে প্রকল্প সভাপতি করা হয়েছে। এখানে দূর্নীতি গন্ধ খোঁজার কোন কারণ নেই বলে তাঁরা সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন