ক্যাম্পাস প্রতিনিধি-বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিজস্ব ল্যাবের যাত্রা শুরু হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবন-১ এর চতুর্থ তলায় লাল ফিতা কেটে এই ল্যাবটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

বিভাগের আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে এই ল্যাবটি স্থাপন করা হয়েছে। ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (MRDI)-এর সহযোগিতায় ডিজিটাল ল্যাব তৈরি করা হয়।

আজ বেলা ১২ দিকে  বিশ্ববিদ্যালয়ের  অভিভাবক  ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলোম। লাল ফিতা কাটার মাধ্যমে এই ল্যাবের শুভ উদ্ভবন করেন। তিনি বলেন, পুতিগত পড়াশোনা মুখস্ত করে পড়াশোনা করলে মনে থাকে না। পরিক্ষা দিয়ে এসে সবাই ভুলে যায়। হাতে  কলমে শিক্ষা বেশি গ্রহনযোগ্য।  তার প্রেক্ষাপট তোমার যে এই ডিজিটাল ল্যাব হলো এতে তোমাদের মুখস্ত পড়াশোনা লাগবে না। হাতে কলমেই  বাস্তবমুখি শিক্ষা পেয়ে  যাবা।   বাস্তবে কাজ করলে ভুলার কোন সুযোগ থাকে না। এই দৃষ্টি কোন থেকেই  ল্যাবটি তৈরি করা হইছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (MRDI)-এর পরিচালক হাসিবুল রহমান । উদ্বোধন শেষে তিনি বলেন,  নিউজরুমের সাথে যে ক্লাস রুমের সেতুবন্ধন এই ল্যাব সেই  সেতুবন্ধনের কাজ করবে। ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়টা  জাতীয় সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে। এইটা শুধু জার্নালিজমের জন্য নয়, এইটা আমার সবাই জন্য সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে এইটা আমার একেবারে শেষ করে দিচ্ছে ;  সেই জায়গায় এইরকম একটা কোর্স জার্নালিজম ডিপার্টমেন্ট তাদের কারিকুলামে যোগ করেছেন। সেটার সাথে খাতির করে এই ল্যাব তৈরি করা। ভবিষ্যতে ফ্যাক্ট চেকিং এর কাজ করতে গিয়ে এইটা কাজ লাগবে।  জার্নালিজম  ডিপার্টমেন্টের সম্বয় সহযোগীতায় এবং ডিপার্টমেন্ট ভিতরে যে সহযোগীতা আছে সেটাও আমি প্রশংসা করছি।

আরো উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন  ইসরাত জাহান  লিজা। তিনি  বলেন, সামাজিক বিজ্ঞান ভূক্ত যে  বিভাগ গুলো আছে তার জন্য এই গনযোগাযোগ  ও সাংবাদিকতা বিভাগ আগানো।  তারা সকল ক্ষেত্র কাজের মাধ্যমে দেখিয়ে  দিয়েছেন তারা কতটা আগানো। আমার  সবাই জানে শুধু বিজ্ঞান বিভাগের  ল্যাব লাগে। ল্যাব বলতে যে অন্যান্য বিভাগের যে প্রয়োজন আছে সেটা  আমি আশা করবো যে  জার্নালিজম ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে অন্য সব ডিপার্টমেন্ট গুলো  জানবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীকেই গড়ে  উঠবে।  সে  ফ্যাসেলিটিস বাচ্চাদের দেওয়া কথা সেটা যেন অন্যান্য ডিপার্টমেন্ট দেয় এইটা আমার অনুরোধ।