আব্দুল্লাহীল কাফী মাসুম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-রংপুর, ০৫ এপ্রিল ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামের নাম পঁচাকান্দর। ওই গ্রামের একজন কিংবদন্তির নাম কাজী আব্দুল হালিম তাঁরই সন্তান এডভোকেট কাজী লুমুম্বা লুমু। পেশায় আইনজীবি হলেও পীরগঞ্জের ইতিহাস নিয়ে গবেষণা তাঁর দীর্ঘদিনের। আইন পেশার পাশাপাশি লেখালেখি করেন তিনি। পীরগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অনেক প্রসিদ্ধ ব্যক্তি,প্রতিষ্ঠান নিয়ে গবেষণা ও শেকড় থেকে তুলে আনা প্রকৃত তথ্য সম্বলিত ইতিহাস নিয়ে লেখা দিয়ে সৃস্টি করেন এক ঐতিহাসিক তথ্য ভান্ডার। সে তথ্য ভান্ডারকে প্রদর্শনের জন্য স্থাপন করেন ওই আর্কাইভ।
প্রতিবেদক সরেজমিনে গিয়ে দেখে আসেন সেই ইতিহাসের এক অমূল্য সংরক্ষণশালা। কাজী আব্দুল হালিম ফাউন্ডেশানের ব্যানারে পৈতৃক সম্পত্তিতে গড়ে তোলেন এক ইতিহাসের স্মৃতিচিহ্ন ” বিস্মৃত গৌরবের ইতিহাস আর্কাইভ “। ইতোমধ্যেই আর্কাইভ ভবনটির কাজ প্রায় শেষের দিকে। থরে থরে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন অমর স্মৃতিগাঁথা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তথ্য চিত্র দিয়ে তৈরী করা ফ্রেমগুলি। যে কোন দর্শনার্থী এক নজরেই বুঝে যাবেন পীরগঞ্জের বিস্মৃত ইতিহাস। এডভোকেট কাজী লুমুম্বা লুমু তাঁর মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে সাজানো আর্কাইভটি সবার জন্য ঊন্মুক্ত করে দিয়েছেন। প্রতিদিন শতশত মানুষ দর্শণ করেন আর্কাইভ।
সম্প্রতি আর্কাইভ চত্বরে নতুন সংযোজন হচ্ছে ” ট্রি লাইব্রেরী “। আর্কাইভে ওয়াফ্কৃত বাউন্ডারী চত্বরে যতগুলি গাছ আছে, সকল গাছের নীচে নীচে একেকটি করে লাইব্রেরী বক্স তৈরী হচ্ছে। প্রতিটি বক্স লাইব্রেরীতে আলাদা আলাদা কবি-সাহিত্যিকের রচনাবলী দিয়ে মনোমুগ্ধকর ভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করেছেন এডভোকেট কাজী লুমুম্বার উত্তরসূরী জ্যেষ্ঠ্য সন্তান কাজী নাসিফ হায়দার আকুল। আর্কাইভ দেখতে আসা সকল দর্শণার্থীর জন্য ঊন্মুক্ত থাকবে ট্রিলাইবের্রী।
প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ওই আর্কাইভ ভবন নির্মাণের একটা বড় অংশ ব্যয় করেন এডভোকেট কাজী লুমুম্বা লুমু ও তাঁর পরিবার।