ইসি সচিব বলেন, তারা আমাদের জানিয়েছেন যে নির্বাচন উপলক্ষে তাদের কোনো পর্যবেক্ষক দল আসবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বাধীন একটা দল আসবে এবং মার্কিন দূতাবাস থেকে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনায় নিজ উদ্যোগে, নিজেদের মতো করে তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে যাবে।
তবে এটা আনুষ্ঠানিক কোনো পরিদর্শন নয় উল্লেখ করে সিনিয়র সচিব বলেন, তারা এমনিতেই দেখতে যাবেন ভোটের অবস্থাটা কী। এ বিষয়ে আমাদের তাদের ইচ্ছাটা জানিয়েছেন এবং নির্বাচন কমিশন সাদরে তাদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। বৈঠকে তারা ইলেকশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। সার্বিক ব্যবস্থাপনার মধ্যে ওনাদের বেশি কৌতূহল ছিল পোস্টাল ব্যালট নিয়ে।
সচিব আখতার বলেন, পোস্টাল ব্যালটের বিষয়ে আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে তাদের জানিয়েছি। সেই সঙ্গে নমুনা ব্যালট দেখিয়েছি। তারা বলেছেন যে এটা একটা জটিল, বেশ কষ্টসাধ্য একটা ব্যাপার। তবে তারা আমাদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের সার্বিক সফলতা কামনা করেছেন।
তারা জানতে চেয়েছিলেন যে কোড অব কন্ডাক্টের বিষয়গুলো সম্পর্কে আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি কী? আমরা তাদের জানিয়েছি যে আমাদের ইলেক্টরাল ইনকোয়ারি কমিটি আছে, কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সেল আছে। এখানে যারা কর্মরত আছেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই জিনিসগুলোকে সমন্বয় করা হচ্ছে।
তারা এটাও জানতে চেয়েছিলেন যে আমরা আমাদের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা কী হতে যাচ্ছে। আমরা বলেছি যে নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৯ লাখ কর্মী বিভিন্ন স্তরে কাজ করবেন। এটা শুনে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
ইসি সচিব বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আমাদের জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে সন্তুষ্ট। তারা একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী।
আজকের বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত), ইসি সচিব আখতার আহমেদ, মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ডেভিড মু ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ফিরোজ আহমেদ।